বারহাট্টায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ
মামুন কৌশিক, নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার বারহাট্টায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-২ মৌসুমে উফশী রোপা আমন ধান ও শাকসবজির আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।শনিবার (১১ জুলাই) সকালে বারহাট্টা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নেত্রকোনা-২ (বারহাট্টা ও নেত্রকোনা সদর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার আনোয়ারুল হক ।এবছর বারহাট্টা থেকে ১ হাজার ৯০০ জন কৃষককে আমন বীজ এবং ৮৫০ জনকে সবজি বীজের আওতায় আনা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তার । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা এবং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চম্পক দাম ।
কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে উন্নতমানের উফশী রোপা আমন ধানের বীজ, বিভিন্ন শাকসবজির বীজ এবং প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ , সাধারণ সম্পাদক আশিক আহমেদ কমল ,বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী তালুকদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক আজাদ, বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুক ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা, উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, বিগত সরকারের আমলে এই ক্ষুদ্র কৃষকের বীজ বিতরণেও নানান অনিয়ম আমরা দেখেছি।তাই এবার একদম সঠিক কৃষকদের হাতেই এই প্রণোদনা তুলে দেওয়া হয়েছে।আমাদর বিএনপি সরকারের আমলেই কৃষকদের উন্নয়ন হয়েছে।এবারও এই দ্বারা অব্যাহত থাকবে।
এসময় কাওমি মাদ্রাসার বিষয়ে সাংবাদিকদের একটি প্রশ্নে তিনি বলেন সম্প্রতি কওমী মাদ্রাসা বিষয়ে আমার সংসদে উত্থাপিত বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর প্রচার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন।জাতীয় সংসদে আমার বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল— কওমী মাদ্রাসার স্বীকৃতি এবং সেখানে কর্মরত শিক্ষকদের সরকারি বেতন-ভাতার আওতায় আনার জন্য কোনো সরকারি নীতিমালা রয়েছে কিনা, অথবা এ ধরনের নীতিমালা
প্রণয়ন করা যায় কিনা— সে বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।আমি কোথাও কওমী মাদ্রাসা বন্ধ করার কথা বলিনি, কিংবা তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিলুপ্ত করার প্রস্তাবও দিইনি। বরং কওমী শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার বিষয়টি বিবেচনায় আনাই ছিল আমার বক্তব্যের উদ্দেশ্য।অতএব, আমার বক্তব্যকে বিকৃত করে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। মতভেদ থাকতে পারে, তবে সত্য তথ্যের ভিত্তিতেই আলোচনা হওয়া উচিত।








