ঢাকা | জুলাই ১৪, ২০২৬ - ১১:০৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

তানোরে থানা পুলিশের জোরালো অভিযানে কমেছে মাদকের দৌরাত্ম্য, স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Tuesday, July 14, 2026 - 12:27 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 27 বার

সোহানুল হক পারভেজ রাজশাহী ব্যুরো প্রধান:রাজশাহীর তানোর উপজেলায় প্রশাসন ও পুলিশের ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান,

জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে কমে এসেছে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধেও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে তানোর থানা পুলিশ।বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, সন্দেহভাজন মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ,

মাদক তৈরির সরঞ্জাম ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।লিশ সূত্র জানায়, উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামে মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা হচ্ছে।

গোপনে তথ্য প্রদানকারীদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখায় পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও বেড়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এক সময় তানোর পৌর এলাকার ঠাকুরপুকুরসহ কয়েকটি এলাকা মাদকের জন্য কুখ্যাত ছিল। তবে ধারাবাহিক অভিযানের ফলে এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। মাদকের পাশাপাশি চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনাও আগের তুলনায় কমে আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।তানোর পৌর এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান,

আগে সন্তানদের নিয়ে সব সময় উদ্বেগে থাকতে হতো। বর্তমানে মাদকের প্রকাশ্য বেচাকেনা অনেকটাই কমে এসেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়েছে।এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, “পুলিশ জনগণের সেবক। রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় তানোরে মাদক, অপরাধ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। আমি যতদিন এখানে দায়িত্বে থাকব,

ততদিন মাদকের বিস্তার রোধে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”তিনি আরও বলেন, কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পেলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসনের এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান ও জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে তানোরকে মাদকমুক্ত ও নিরাপদ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।