মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কমিশনের সচিব সাইদুর রহমান খান বলেন, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি অনুসন্ধান ও তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে। তদন্ত শেষে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের বিষয়ে দুদক সচিব বলেন, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে তথ্য চেয়ে পারস্পরিক আইনি সহায়তা (MLAR)-এর আওতায় চিঠি পাঠানো হবে। বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ব্যাংক হিসাব, সম্পদ, লেনদেনসহ তদন্তের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে।
দুদক জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পর যদি এর মধ্যে সারবত্তা পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে বিপুল অর্থ পাচার, নিয়োগ-পদায়নে অর্থ লেনদেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডারে কমিশন নেওয়াসহ একাধিক অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। তবে এসব অভিযোগ এখনও প্রমাণিত হয়নি। আসিফ মাহমুদ নিজেও অভিযোগগুলো অস্বীকার করে দুদকের অনুসন্ধানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সমালোচনা করেছেন।
দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন তথ্য বা অভিযোগের ওপর নির্ভর করে নয়, বরং অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আইনগত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।