ঢাকা | জুলাই ১, ২০২৬ - ৮:০৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ময়মনসিংহ বিভাগে শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসার স্বীকৃতি পেলো মোমেনশাহী ডি.এস কামিল মাদ্রাসা

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, July 1, 2026 - 1:01 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 18 বার

স্টাফ রিপোর্টারঃ ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে
ময়মনসিংহ বিভাগের শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসার মর্যাদা অর্জন করেছে মোমেনশাহী ডি.এস কামিল মাদ্রাসা।

গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত `অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬`-এ মাদ্রাসাটির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই শ্রেষ্ঠত্বের ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. ইদ্রিস খানের হাতে এই গৌরবময় পুরস্কার ও শ্রেষ্ঠত্বের সনদ তুলে দেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এমপি। ১০০ নম্বরের মধ্যে ৯৩ নম্বর পেয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে এই মাদ্রাসাটি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

মাদ্রাসার পক্ষে ক্রেস্ট গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ড.ইদ্রিস খান । শিক্ষার মানোন্নয়ন, ফলাফল, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং সামগ্রিক অবকাঠামোর ভিত্তিতে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই মূল্যায়ন করেছে বলে জানা গেছে।

এই অর্জনে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি বলেন, “এই স্বীকৃতি
মোমেনশাহী ডি.এস কামিল মাদ্রাসা মাদ্রাসার সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। আমরা ভবিষ্যতেও মাদ্রাসার শিক্ষার মান আরও উন্নত রাখার চেষ্টা করব।”

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড.ইদ্রিস খান এই সাফল্যের জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পরিচালনা পর্ষদ ও এলাকার সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

ময়মনসিংহ শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রধান সড়কের পাশে কৃষ্টপুর এলাকায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী এই ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাদানের মাধ্যমে ইতোমধ্যে অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করেছে। বর্তমানে ১ম শ্রেনী থেকে কামিল শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হলেও ভবিষ্যতে আরো উচ্চতর ডিগ্রি পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়ে ড.ইদ্রিস খান তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হলো মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রদান করা। আমরা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই নয়, শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও শারীরিক সুস্থতার বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমরা বিশ্বাস করি, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের কারিগর হবে।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন এই প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আমরা প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ভয়হীন, আনন্দময় ও স্নেহপূর্ণ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

অভিভাবকদের অনেকেই জানান- মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসাবে ড.ইদ্রিস খান দায়িত্ব গ্রহণের পর পর থেকে তার মেধাবী পরিকল্পনায় মেধাবী প্রজন্ম গঠনে কাজ করছে এই মাদ্রাসাটি।