ঢাকা | মার্চ ১০, ২০২৬ - ১০:৫৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

আপনারা কি ‘নির্বিকার’ না ‘নির্লজ্জ’?–দূর্গাপুর প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে জনতার তীর ছোড়া প্রশ্ন!”

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Sunday, April 20, 2025 - 12:03 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 44 বার

বিশেষ প্রতিনিধিঃজেলে উচ্ছেদ, সাংবাদিক নিগৃহীত, সিন্ডিকেট রাজত্বে বন্দী গ্রাম—ওসি, ইউএনও, মৎস্য অফিসার সবাই কোথায়? প্রশাসনের নীরবতা নাকি সহযোগিতা? এই প্রশ্ন এখন মুখে মুখে!

নেত্রকোনার দূর্গাপুরের গন্ডাবেড় এখন শুধুই একটি গ্রামের নাম নয়, এটি এক নিষ্পেষিত জনগোষ্ঠীর হাহাকার, আর রাষ্ট্রযন্ত্রের নৈতিক পতনের প্রতিচ্ছবি। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা আজ প্রশ্নবিদ্ধ নয়, বরং জনতার চোখে তা হয়ে উঠেছে অপরাধের এক প্রকার মৌন স্বীকৃতি!

প্রথম প্রশ্ন: ইউএনও সাহেবঃ আপনি কি blindfold পরে অফিস করেন?

যখন নদীর ওপর দখলদার চক্র সরকারের অনুমোদন ছাড়াই “মসজিদের নামে” ভুয়া লিজ দাবি করে সরকারি কার্ডধারী জেলেদের তাড়িয়ে দেয়, তখন আপনি কি ফাইলের পেছনে লুকিয়ে ছিলেন? যেখানে সরকারি নথিতে এই লিজের কোনো অস্তিত্বই নেই, সেখানে আপনি কেন সেই দিনই স্পষ্ট ব্যবস্থা নিলেন না?

আপনার নীরবতা কি পদ হারানোর ভয়, নাকি সুবিধা পাওয়ার আশায় নত হওয়া?
ওসি সাহেবঃ পুলিশ কি এখন FIR-এর বদলে “Fear In Return” দিচ্ছে? একজন সাংবাদিকের বাবা যখন বাড়িতে হামলার শিকার হন, তখন আপনার টিম গিয়ে সন্ত্রাসীকে ধরার বদলে ভুক্তভোগীকে রাতে সরিয়ে নেয়?

জিজ্ঞাসা করতেই হয়—কাকে রক্ষা করছেন আপনি? আইনের শাসনকে, না সেই অপরাধী সিন্ডিকেটকে? ভুক্তভোগীরা তো স্পষ্টই বলেছে, তারা দূর্গাপুর থানায় আর বিশ্বাস রাখে না—আপনার ব্যর্থতায় পুলিশ জনগণের আস্থা হারিয়েছে। এই দায় আপনি নেবেন কি? মৎস্য অফিসার: মাঠে গিয়ে সত্য পেয়ে ফিরে এসে চুপ কেন? আপনি সরেজমিনে গিয়ে দেখলেন জেলেদের উচ্ছেদ, অবৈধ দখলদারি—তারপর কী করলেন? শুধু ‘ব্যবস্থা নেব’ বললেন, আর কিছুই হল না! আপনি কি মাছের খোঁজে নামেন, না দায়িত্ব পালনের নামে লুকোচুরি খেলেন?

যদি কিছুই করতে না পারেন, তাহলে সেই পদে বসে আছেন কেন? প্রশ্ন পুরো প্রশাসনের প্রতি—এই দখলদার চক্রের মদদদাতা আপনারা না? যখন চক্রটি দিনের আলোয় সন্ত্রাস চালায়, ধর্ম ব্যবহার করে নদী দখল করে, সাংবাদিকের পরিবারে হামলা করে, জেলেদের জীবিকা শেষ করে—তখন প্রশাসন নিশ্চুপ থাকে।

এত অভিযোগের পরও একজনকেও গ্রেপ্তার করেননি কেন? কাকে বাঁচাতে এই অপদার্থতা?
কার নির্দেশে এত নীরবতা? আর কত টাকার ঘুষে বেচেছেন দায়িত্ব? জনগণের তীব্র ক্ষোভ—“এই প্রশাসন নয়, চাই সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ”সেনাবাহিনীর দল এসে নদী বুঝিয়ে দিয়েও, প্রশাসনের ব্যর্থতায় জেলেরা দখল নিতে পারেনি! জনগণ বলছে—“এখন আমরা

সেনাপ্রধানের কাছে যাব। দূর্গাপুরে নয়, ঢাকায় গিয়ে আমাদের অধিকার আদায় করব। এবার আর চুপ করে থাকব না।”এখন প্রশ্ন গোটা জাতির—‘সিন্ডিকেট কি রাষ্ট্রের চেয়েও বড়?’যখন প্রশাসন ব্যর্থ হয়, রাজনীতির ছত্রছায়ায় অপরাধী চক্র ফুলে-ফেঁপে ওঠে, তখন জনগণ বুঝে যায়—এই রাষ্ট্রযন্ত্র তাদের নয়! তাই তারা বলছে—“আমরা আর ভয় পাই না, পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এবার প্রতিবাদই একমাত্র পথ।” শেষ কথা—আপনাদের নিরবতা ইতিহাস মনে রাখবে, কিন্তু ক্ষমা করবে না।
দূর্গাপুর প্রশাসন হয় জেগে উঠুক, না হয় দায়িত্ব ছেড়ে দিন। জনগণ এখন জেগেছে, তারা জানে—“ভয় নয়, প্রতিরোধেই মুক্তি”।