ঢাকা | মার্চ ১৩, ২০২৬ - ৯:২৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

কিস্তিতে ইলেকট্রিক পণ্য নিয়ে লাফাত্তা যুবক জিডি  করেও কোন মুক্তি মিলেনি

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, October 11, 2025 - 6:03 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 366 বার

নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আসমা ইউনিয়নের ছয়গাঁও গ্রামের মোঃ মিছির উদ্দিনের ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলাম(সবু)।শফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ঢাকায় থেকে গার্মেন্টস করে।কিন্তুু তারা সেখানে এক ভয়ানক প্রতারণা শুরু করে।ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে তারা স্বামী স্ত্রী  ইলেক্ট্রনিক্স দোকান থেকে কিস্তিতে ফ্রিজ সহ বিভিন্ন দামী পণ্য কেনা শুরু করে।কিছুদিন পরেই সে সব পণ্য অন্যত্র বিক্রি করে বাসা পাল্টে নেয় তারা।সর্বশেষ  তারা গাজীপুরের জৈনা বাজার কলেজ মোড়ে মায়ের দোয়া ইলেকট্রনিক্স -2 নামের একটি দোকান থেকে একই রকম প্রতারণা করে।মোঃ আবু দারদার বাড়ি বারহাট্টা উপজেলায় হওয়ায় মালিক গাজীপুরে ও বারহাট্টা থানায় জিডি করেন।কিন্তুু তারপরও টাকা উদ্ধার করতে পারেননি ওই ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।

থানায় জিডি সূত্রে জানা যায়,মায়ের দোয়া ইলেকট্রনিক্সের শোরুম থেকে গত ২৫/০২/২০২৩ ইং তারিখে ফ্রিজ ক্রয় করে মোঃ শফিকুল ইসলাম (সবু)। পরে প্রথম মাসের কিস্তির জন‍্য মোবাইল করা হলে সে বিভিন্ন ধরনের অযুহাত দেখাতে থাকে। কিছু দিন পরে শফিকুক ও তার বউ শোরুম  এসে তার বাবা অসুস্থ ও তাদের দুজনের চাকরি চলে গেছে  তার জন‍্য কয়েক দিন সময় নিয়ে যায়। কয়েক দিন পর আবার যোগাযোগ করলে কোনো খোঁজ না পেয়ে আমরা তার বাড়া বাসায় গিয়ে জানতে পারি সে ওই এলাকার অনেক ব‍্যাক্তি ও বিভিন্ন দোকান বাকী ও নগদ টাকা নিয়ে রাতের আধারে পালিয়ে গেছে। পরে আমরা আরো খোঁজ খবর করে জানতে পারি সে রাজেন্দপুর এক জায়গায় থাকে পরে আমরা কয়েক জন মিলে ওই জায়গাই যাই সারাদিন খোঁজার পর তাকে আমরা পাই। সে ওইখানে তার বউ মিলে আমার সাথে অসৌজন্য মুলক আচরন করে পালিয়ে যায়।

তারপরে আমরা আবারো খোঁজ খবর ও যোগাযোগ করতে চেষ্টা করি কিন্তু কোনো খোঁজ না পেয়ে ৫ মাস পর সর্বপ্রথম  ১৩/৭/২৩ ই সময় আমি  শ্রীপুর মডেল থানার তার নামে প্রতারণা মুলক একটি জিডি করি।এর পরেও তার এলাকায় আমি গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে এলাকার গণ‍্য মান‍্য ব‍্যাক্তি বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান না পেয়ে বারহাট্টা মডেল থানায় গত ০৫/০২/২৪ ইং আরেকটি প্রতারণা মুলক অভিযোগ করি।

বারহাট্টা থানা থেকে ওই প্রতারকের বাড়িতে পুলিশ  গেলে এলাকার মেম্বার সহ পরিবারের লোকজন কিছু সময় চায় কিন্তু সময় দেওয়ার পরও টাকা উদ্ধার হয়নি৷পরবর্তীতে গত ঈদে তাকে আটকানো হলে এক পর্যায় সে অনেক উপস্থিতির মাধ্যমে ৪ মাসের সময় চায় প্রতি মসে ১২ হাজার টাকা ৪৮ হাজার টাকা  দিবে বলে জানায়।এর পর কোনো টাকা দেয়না কলও ধরেনি।উল্টো গত কয়েকদিন আগে টাকা চাইতে গেলে হঠাৎ করে শফিকুল নিজের ফেইসবুক আইডিতে আবু দারদার নামে উল্টা পাল্টা মিথ্যা অপবাদ ও মানহানিকর বক্তব্য  ছড়ায়।

যার ফলশ্রুতিতে আবু দারদার পক্ষে এলাকার মানুষ মানবিক করার সিদ্ধান্ত ও নেয়েছ

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আবু দারদার জানান এই শফিকুল ও তার স্ত্রীর কাজই হল ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য কিস্তিতে কিনে বাসা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া।আমি আমার টাকা ফেরত চাই এবং ওই প্রতারক স্বামী স্ত্রীর উপযুক্ত শাস্তি দাবী করছি।