ঢাকা | মে ২, ২০২৬ - ৬:১৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক অতঃপর গণধর্ষণ 

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, May 2, 2026 - 10:46 am
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 30 বার
মোঃ রুবেল মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার: বিয়ের প্রলোভন ও ঘরবাড়ি লিখে দিবে এমন প্রতিশ্রুতিতে প্রেমের সম্পর্ক অতঃপর গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এক সন্তানের জননী। অমানবিক ও চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কাণ্ঠালিয়া গ্রামে।  বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গাজিপুর কালিয়াকৈর একটি বাসায় ৩ জন মিলে গণধর্ষণ করে ঐ নারীকে। ধর্ষণকারীরা সবাই পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগি গণধর্ষনের শিকার এক সন্তানের জননীর পিতার নাম শুকুর মিয়া গ্রামের বাড়ি পৌরসভার কাণ্ঠালিয়া গ্রামে। পূর্বের স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর এক কন্যা সন্তান নিয়ে সে বাপের বাড়িতে বসবাস করত এবং দেওহাটা এনএফ কে বেঙ্গল কোম্পানিতে চাকরি করত সে।
ঘটনার মুলহোতা ধর্ষণকারী হচ্ছে ৮ নং ওয়ার্ডের আন্ধরা গ্রামের মৃতঃ নাজিম মিয়ার বখাটে একমাত্র পুত্র নুরুল হক। একাধিক বিয়ে করা ও মদ জুয়ার খেলা ছিল তার নেশা। নুরুল হক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি ঘর লিখে দিবে এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঐ মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। এরই মধ্যে কিছুদিন আগে নরুল হকের  দ্বিতীয় স্ত্রী তার সংসার ছেড়ে চলে যায়।
সেই সুযোগে নুরুল হক ও তার সহযোগিরা গত বৃহস্পতিবার প্রতারনার ফাঁদে ফেলে এক সন্তানের জননীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে নিয়ে যায় এবং নুরুল হক, তার সহযোগী মালেক ও অজ্ঞাত তিনজন মিলে দিন ভর পালাক্রমে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
এক পর্যায়ে ঐ নারী  অসুস্থ্য হয়ে পরলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে প্রথমে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। ধর্ষিতার পরিবার নিরীহ ও অসহায় হওয়ায় এখন পর্যন্ত মামলা করতে পারেনি।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক
এসআই সুমন বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নারী অচেতন অবস্থায়  রয়েছেন। জ্ঞান ফিরলে তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত জানা যাবে। সেই অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।