ঢাকা | জুলাই ২৩, ২০২৬ - ২:৪৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

রাজশাহীতে দেড় কেজি হেরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার নেপথ্যের গডফাদার দের খুঁজছে ড্যাপ

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, July 22, 2026 - 4:20 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 9 বার

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি​​​: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দেড় কেজি (১,৫০০ গ্রাম) অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইনসহ মোঃ ইকবাল হাসান (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। উদ্ধারকৃত এই হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।
​মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে গোদাগাড়ী মডেল থানাধীন দেওপাড়া ইউনিয়নের সারইল এলাকায় রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে পরিচালিত এক অভিযানে তাকে আটক করা হয়।

​ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, রাজশাহী-এর একটি দল গোদাগাড়ী থানাধীন সারইল এলাকায় অবস্থান নেয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহীগামী ‘কর্ণফুলি (মহানন্দা স্পেশাল)’ বাসটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। বাসের পেছনের সারির পাঁচ সিটের মাঝের সিটে বসে থাকা যাত্রী ইকবাল হাসানের সঙ্গে থাকা একটি অ্যাশ রঙের স্কুল ব্যাগ তল্লাশি করে কাপড়ে মোড়ানো ও স্কচটেপে পেঁচানো ১৫টি স্বচ্ছ পলিথিন প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ১০০ গ্রাম করে মোট ১.৫ কেজি বাদামী রঙের গুঁড়া হেরোইন পাওয়া যায়।

​গ্রেপ্তারকৃত ইকবাল হাসান রাজশাহী জেলার পুঠিয়া পৌরসভার রামজীবনপুর গ্রামের মোঃ সাইদুল ইসলাম ও হাসনা হেনা দম্পতির ছেলে। অভিযানকালে তার ব্যবহৃত একটি সামসাং গ্যালাক্সি এ১৬ (SAMSUNG Galaxy A16) অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনও আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।

​​গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো:ইকবাল হাসান (২৪)
​উদ্ধারকৃত আলামত ১.৫ কেজি হেরোইন (বাজারমূল্য ১.৫ কোটি টাকা) এবং ১টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল।
​আইনগত ব্যবস্থা: উক্ত ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ক্রমিক ৮(গ) ও ৪১ ধারায় গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেবল চালান বহনকারীকে গ্রেপ্তার করেই এই অভিযান শেষ হচ্ছে না। ইকবাল হাসানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই চালানের নেপথ্যে থাকা মূল গডফাদার ও পুরো সরবরাহ চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।