কাজ না করার অভিযোগ ভিত্তিহীন’, পানি নামলেই রাস্তার কাজ: পিআইও
নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দা উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের ফালেঙ্গাপাড়া গ্রামে সোবহানের বাড়ি থেকে মহসিন প্রফেসরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণে কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা) প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের কারণে বর্তমানে কাজ শুরু করা সম্ভব না হলেও পানি নেমে গেলে এবং প্রয়োজনীয় মাটি পাওয়া গেলে দ্রুত রাস্তার নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তর।২০২৫-২৬ অর্থবছরে স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে ওই রাস্তা নির্মাণে কাবিটা প্রকল্পের আওতায় এ বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ফালেঙ্গাপাড়া গ্রামের মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনেও সুবিধা হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে ওই এলাকার কাঁচা রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বৃষ্টির সময় রাস্তায় পানি জমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাই বরাদ্দকৃত প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলাম বলেন, জুন মাসের শেষের দিকে প্রকল্পটির বরাদ্দ অনুমোদন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট স্থান পরিদর্শন করা হয়। কিন্তু অতিবৃষ্টির কারণে প্রকল্প এলাকায় পানি জমে থাকায় এবং আশপাশের এলাকাও পানিতে ডুবে থাকায় রাস্তার কাজের জন্য প্রয়োজনীয় মাটি পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।তিনি বলেন, “এ অবস্থায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রকল্পের সমুদয় অর্থ পে-অর্ডার করে রাখা হয়েছে। পানি নেমে গেলে এবং পর্যাপ্ত মাটি পাওয়া গেলে দ্রুত রাস্তার কাজ শুরু করা হবে।”সম্প্রতি এ রাস্তা নিয়ে প্রকাশিত একটি সংবাদের বিষয়ে পিআইও আরিফুল ইসলাম বলেন, “ওই সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সেখানে আমার বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করা হয়নি। সকলের সঙ্গে পরামর্শ করেই প্রকল্পের অর্থ পে-অর্ডার করে রাখা হয়েছে। পানি নেমে গেলে এবং পর্যাপ্ত মাটি পাওয়া গেলে দ্রুত রাস্তার কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু বলেন, প্রকল্প বরাদ্দের পর অতিবৃষ্টির কারণে ওই স্থানে পানি জমে যায়। যেহেতু প্রকল্পটির বরাদ্দ হয়ে গেছে, তাই এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে বরাদ্দের টাকা ফেরত না দিয়ে পে-অর্ডার করে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পানি নেমে গেলে ওই স্থানে দ্রুত রাস্তার কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
এলাকাবাসীও দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু করে মানসম্মতভাবে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদারকিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে।#








