দুদকের অভিযোগে শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের তদন্ত অনুযায়ী, শেখ মামুন খালেদের নামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮৬ হাজার ৮৩৭ টাকা। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ তার মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫ কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার ৬৫৮ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৬৩ টাকা। ফলে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫ টাকা বলে দুদক জানিয়েছে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, শেখ মামুন খালেদের স্ত্রী নিগার সুলতানার জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদের পরিমাণ ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ৮০৯ টাকা। অন্যদিকে তার শ্যালক শেখ আমিনুর রহমানের জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫৫ টাকা বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
তদন্তে আরও বলা হয়েছে, নিগার সুলতানা ও শেখ আমিনুর রহমান আয়কর নথিতে মাছের খামার থেকে যথাক্রমে ৪০ লাখ ৫৯ হাজার ৯৩০ টাকা এবং ৬ কোটি ৮ লাখ ১৪ হাজার ৮৮৪ টাকা আয়ের কথা দেখিয়েছেন। তবে যাচাইয়ের সময় এসব আয়ের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে দুদক জানিয়েছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল বাদী হয়ে তিনটি মামলাই দায়ের করেছেন।