ঢাকা | অক্টোবর ৬, ২০২৬ - ১১:৪৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

কিয়েভের গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে রুশ ড্রোন হামলা, জার্মান চ্যান্সেলরের সফরের মধ্যেই বিস্ফোরণ

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Tuesday, October 6, 2026 - 4:00 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 16 বার
প্রতিবেদক: এমডি নাসির, নিউ জার্সি (যুক্তরাষ্ট্র)ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জের সফরের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ একটি সেতুতে রুশ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার দ্যনিপ্রো নদীর ওপর অবস্থিত নর্দার্ন ব্রিজে ড্রোন আঘাত হানলে সেখানে আগুন ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। হামলায় সেতুর সড়কপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং স্থানীয় গরম পানির সরবরাহ ব্যবস্থাতেও ক্ষতি হয়েছে। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানিয়েছেন, হামলায় দুজন আহত হয়েছেন।

জার্মান চ্যান্সেলর মের্জ রোববার আকস্মিক সফরে কিয়েভে পৌঁছান এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন। সফরের সময় কিয়েভে বিমান হামলার সাইরেন ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। মের্জ বলেন, ইউক্রেনকে আগামী কয়েক সপ্তাহে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে এবং রাশিয়াকে থামানো না গেলে যুদ্ধের প্রভাব ইউরোপের অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

জার্মানির নতুন ১.৩ বিলিয়ন ইউরোর সহায়তা

মের্জ কিয়েভ সফরে ইউক্রেনের জন্য ১ বিলিয়ন ইউরোর সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেন। এর মধ্যে দূরপাল্লার অস্ত্র, যুদ্ধ ড্রোন ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি রয়েছে। পাশাপাশি শীতের আগে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো পুনর্গঠনে আরও ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া জার্মানি ও ইউক্রেনের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও অস্ত্র উৎপাদন নিয়ে একাধিক চুক্তি হয়েছে। দুই দেশ রুশ ড্রোন মোকাবিলায় যৌথভাবে নতুন প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির কাজও এগিয়ে নিচ্ছে।

কিয়েভের সেতুগুলোতে ধারাবাহিক হামলা

নর্দার্ন ব্রিজে হামলার আগে কিয়েভের সাউদার্ন ব্রিজেও একাধিক ড্রোন হামলা হয়েছে। এসব হামলার কারণে রাজধানীর দুই তীরের মধ্যে যান চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কিয়েভের গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে রুশ হামলা বেড়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বাড়ানোর জবাব ইউক্রেনও দেবে। অন্যদিকে রাশিয়া ইউক্রেনের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে আক্রমণ চালানোর কথা বলেছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পঞ্চম বছরে এসে দুই পক্ষই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আরও বাড়িয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ, পরিবহন, সামরিক স্থাপনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এখন হামলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে।