তানোর পৌরতে পাঁকারাস্তা নির্মাণের একমাসেই উঠে যাচ্ছে পিচ-পাথর
সোহানুল হক পারভেজ রাজশাহী : সোহানুল হক পারভেজ রাজশাহী: রাখলেন এমন প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের।
কাজ করা ঠিকাদার ইয়াসিন বলেন, তালন্দ বালিকা স্কুল থেকে তালন্দ সরদার পাড়া, বেলপুকুরিয়া ও গুবিরপাড়া থেকে সিন্দুকাই পর্যন্ত রাস্তাটি আমরা করেছি। তার সহপাঠী ঠিকাদার নজরুল ইসলাম বলছেন কাজ করার পর পিচ ও পাথর উঠতেই পারে তাতে তাদের কি করার আছে বলে এড়িয়ে গেছেন তিন।
এবিষয়ে কেশরহাট পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী তানোর পৌরসভায় অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সরদার জাহাঙ্গীরের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেন নি। অবশ্য তিনি নিয়োমিত অফিসও করেন না বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। শুধু ফাইলপত্র স্বাক্ষরের দিন পাইভেট কার নিয়ে অফিসে আসেন এই প্রকৌশলী।
এব্যাপারে তানোর পৌরসভার মেয়র ইমরুল হক বলেন, কাজ না করলে টাকা ফেরত দিতে হত। এজন্য আপোষ মিমাংসা করে মামলার বাদীদের কিছু কাজ দেয়া হয়েছিল। মেয়র আরও বলেন, যে সময় বরাদ্দ পায় সে সময় রাস্তার কাজের মালামালের দাম ছিল কম। কিন্তু এখন দ্বিগুন দাম। এজন্য ঠিকাদারদের বলা হয়েছিল যেভাবে হোক রাস্তার কাজ করে উঠতে হবে। পিচ-পাথর উঠার বিষয়টি আমার নজরে আছে। প্রয়োজনে ওই ঠিকাদার দিয়েই রাস্তা মেরামত করা হবে।








