ঢাকা | মার্চ ১০, ২০২৬ - ১২:৩২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

কেরানীগঞ্জের শুভাঢ়্যা খাল একটি নান্দনিক সৌন্দর্যে দেখবে এলাকাবাসী -উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ান হাসান

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Monday, May 12, 2025 - 2:13 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 308 বার

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ান হাসান বলেছেন, শুভাঢ্যা খাল খনন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আর্থিক সাশ্রয়ের জন্যই এই খালের খনন কাজ সেনাবাহিনীকে দেওয়া হবে। শুভাঢ্যা খালটি এত গুরুত্বপূর্ণ এইজন্য এটি বুড়িগঙ্গা ও ধনেশ্বরী নদীর সাথে সংযোগ স্থাপন করেছে।

এইজন্য খালটি খননের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই খালটি এই খালের আর্থিক ব্যয় পূর্বে যা ধরা হয়েছিল তা আমার কাছে বেশি মনে হয় আমি সরজমিনে এটি দেখার জন্য এই খালটি পরিদর্শনে এসেছি। এখানে এসে বাস্তবে যা দেখলাম তাতে নতুন করে খালটি খনন করতে হবে। দেশের অন্যান্য জায়গায় যেভাবে খাল খনন করা হয় এখানে তার ব্যতিক্রম। এই খালটি সিটি জরিপ অনুযায়ী কিছু অংশ খনন করা হয়েছে।

কিন্তু সিএস জরিপ অনুযায়ী খালটি অনেক বড়। আজ সোমবার সকালে কেরানীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শুভাঢ্যা খাল পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, খালটির বিভিন্ন জায়গায় বাসা বাড়ির ময়লা আবর্জনা ও গার্মেন্টসের ঝুট কাপড় ফেলে ভরাট করা হয়েছে। অনেক জায়গা দখল করে মানুষ মানুষ বাড়িঘর নির্মাণ করেছে। এছাড়া খালের জায়গায় ঢাকা জেলা পরিষদের বিভিন্ন স্থাপনাও রয়েছে। এমতাবস্থায় খালটি উদ্ধার করা আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। এই খালটি খনন করতে ৩১৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

এক বছর মেয়াদি এই খালের ক্ষরণ কাজ এই বছরের আগামী জুন মাস থেকে শুরু হয়ে ২০২৬ সালের জুনে গিয়ে শেষ হবে। এ ব্যাপারে আমি ফাইনাল চিঠি ইস্যু করলেই সেনাবাহিনী খাল খলনের কাজ করতে পারবে। সরকার শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে খালটি খনন করবে। কিন্তু খালটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকতে হবে এলাকাবাসীর। খালটি রক্ষা করার জন্য পাড়া মহল্লায় বা প্রতিটি ওয়ার্ডে শুভাঢ়্যা খাল সুরক্ষা কমিটি গঠন করতে হবে। গার্মেন্টস মালিকরা যেন তাদের গার্মেন্টসের জুট কাপড় এখানে না ফেলে এবং এলাকাবাসীরাও তাদের বাসা বাড়ির পয়ঃ নিষ্কাশন যেন খালের ভিতর না ফেলে এ ব্যাপারেও তাদেরকে সচেতন থাকতে হবে। এদেশের জনগণের টাকা খরচ করেই এই খালটি পূনঃউদ্ধার করতে হচ্ছে।

খালের ভীতর জেলা পরিষদের বিভিন্ন স্থাপনাগুলোকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য পরিষদ কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কালটি খনন করার সাথে সাথে খালের দুই পাশে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তাও করে দেওয়া হবে। আজকে এই খাল পরিদর্শন করে দেখলাম খালের বিভিন্ন জায়গায় ময়লা আবর্জনা, প্লাস্টিক ও ও গার্মেন্টসের জুট কাপড়ের ভরা। তবে আগামী ২৬ শে জুনের পরেই কেরানীগঞ্জবাসি শুভাঢ্যা খালের একটি নান্দনিক পরিবেশ দেখতে পারবে বলে আমি আশা করি।