আতংকিত না হয়ে ডেঙ্গু মশার বংশ বিস্তার রোধ করতে হবে-ময়মনসিংহে বিভাগীয় কমিশনার
আরিফ রববানী, ময়মনসিংহ : ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সকলকে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার ও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মিজ্ ফারাহ শাম্মী বলেন, চিকিৎসার চেয়ে সচেতনতা জরুরি, তাই আতংকিত না হয়ে ডেঙ্গু মশার বংশ বিস্তার রোধ করতে হবে।
এসময় তিনি বলেন- ডেঙ্গুর জীবাণুবাহক এডিস মশা সাধারণত পরিষ্কার এবং জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে। এ মশার ডিম দুই বছর পর্যন্ত জীবিত থাকে। তাই আমাদের বাসস্থানের আশপাশে থাকা যেকোনো পানির পাত্র, ফুলের টব, ব্যবহারহীন ড্রাম, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা কিংবা প্লাস্টিক প্যাকেট- এসবই এডিস মশার প্রজননের আদর্শ জায়গা। এসব বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতিটি ওয়ার্ডে পাড়া মহল্লায় সচেতনতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এভাবে নিয়মিত তদারকি করতে পারলে আশা করছি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সফল হবো।
সোমবার (১,ডিসেম্বর) সকালে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা মোলক কার্যক্রমের অংশ হিসাবে মশারি বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনতার সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রমের আওতায় মশারী বিতরণের পাশাপাশি শতাধিক ছিন্নমূল অসহায় পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন বিভাগীয় কমিশনার ও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মিজ্ ফারাহ শাম্মী
এসময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে নিবার্হী কর্মকর্তা ও সচিব সুমনা আল মজিদ, স্বাস্থ্য বিভাগ, পরিচ্ছন্নতা বিভাগ ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা।
এসময় সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আরো বলেন—ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও জানান, সিটি কর্পোরেশন নিয়মিতভাবে ফগিং, লার্ভিসাইডিং, ঘরে ঘরে সচেতনতামূলক প্রচার এবং হটলাইন সেবা চালু রেখেছে।এ সময় তিনি নগরবাসীকে ঘরের ভেতর ও বাইরের যেকোনো স্থানে তিন দিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়ার অনুরোধ জানান। সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ডেঙ্গু মোকাবিলা সম্ভব—এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি এ ধরনের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।








