ঢাকা | মার্চ ১০, ২০২৬ - ২:৪০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ময়মনসিংহ সদরে শিক্ষকদের আন্দোলনে শিকেয় ১৮৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, December 3, 2025 - 9:08 am
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 49 বার

আরিফ রববানী ময়মনসিংহ:সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীত করা,১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জটিলতা দূর করা ও সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করার ৩দফা দাবীতে সারাদেশের ন্যায় ময়মনসিংহ সদরেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষাবর্জন ও কর্মবিরতি পালন করছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা। এতে ময়মনসিংহ সদরে ১৮৫ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীরা বার্ষিক পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বছরের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে বিভিন্ন দাবি নিয়ে রাজপথে নামায় আগামীদিনের সম্ভাবনাময় এসব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত প্রায় অনিশ্চয়তার দিকে।

এর আগেও প্রাথমিকের শিক্ষকদের বিভিন্ন অংশের একের পর এক আন্দোলনের কর্মসূচিতে পড়ালেখায় ছেদ পড়ছিল মাঝেমধ্যেই; এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছে বার্ষিক পরীক্ষা।

সবশেষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দাবি আদায়ে সোমবার থেকে কর্মবিরতি শুরু করেছেন। ফলে এসব স্কুলের চলমান বার্ষিক পরীক্ষা মাঝপথে শিকেয় উঠেছে।

দাবি আদায়ের এ আন্দোলনে সরকারের তরফের হুঁশিয়ারিকেও আমলে নিচ্ছেন না তারা। কর্মবিরতির কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এতে করে সোমবার দেশজুড়ে ৬৫ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনেকগুলোতেই তা হয়নি। ময়মনসিংহ সদর ১৮৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত প্রায় ১হাজার সহকারী শিক্ষকরা কর্মবিরতির অংশ হিসেবে এ পরীক্ষা বর্জন করেছেন।

এর আগে দশম গ্রেডে বেতনের দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা টানা আন্দোলন চালিয়ে যেতে জড়ো হয়েছিলেন ঢাকায়।পরে একাদশ গ্রেডে উন্নীত করতে সরকারের আশ্বাসে মাসখানেক পর ফিরে যান শ্রেণিকক্ষে।

ভাবখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষাবর্জন ও কর্মবিরতি পালিত হয়েছে। সহকর্মী শহীদ ফাতেমা আক্তারের আত্মত্যাগসহ দুই শতাধিক শিক্ষকের রক্ত কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া আশ্বাস অনুযায়ী ১১তম গ্রেডসহ তিন দফা দাবির বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কর্মসূচি চলবে।