প্রতিবন্ধী মেধাবী শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে পাশে দাঁড়ালেন শামীম সরকার
সাজ্জাদ মাহমুদ সুইট, রাজশাহী:অদম্য মেধা আর ইচ্ছাশক্তি থাকলে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যে বাধা হতে পারে না, তার প্রমাণ দিয়েছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চন্ডিপুরের মেধাবী শিক্ষার্থী শারমিন সুলতানা। তবে দারিদ্র্য যখন তার নার্সিং পড়ার স্বপ্নে পাহাড়সম বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল, ঠিক তখনই আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও আসন্ন বাঘা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এস.এম. সালাউদ্দিন আহমেদ শামীম সরকার।
জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ নার্সিং কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেও দিনমজুর বাবা শামসুল ইসলামের পক্ষে মেয়ের ভর্তির মোটা অংকের টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। চন্ডিপুর-বাজুবাঘা এলাকার এই পরিবারটি যখন চরম হতাশায় নিমজ্জিত, তখন বিষয়টি অবগত হন ছাত্রদল নেতা শামীম সরকার।
খবর পাওয়া মাত্রই তিনি তাৎক্ষণিকভাবে শারমিনের বাড়িতে ছুটে যান এবং তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথে অর্থের অভাব যেন বাধা না হয়, সেজন্য তিনি শারমিনের ভর্তিসহ পড়াশোনার যাবতীয় খরচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এ সময় শামীম সরকার বলেন, “শারমিন আমাদের সমাজের গর্ব। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে সে যে মেধার পরিচয় দিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। অর্থের অভাবে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন মুছে যেতে পারে না। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি তার পাশে থাকতে পেরে আনন্দিত।”
শারমিনের বাবা শামসুল ইসলাম আবেগপ্লুত হয়ে বলেন, “মেয়েটা চান্স পাওয়ার পর খুশির চেয়ে চিন্তাই বেশি হচ্ছিল। টাকা জোগাড় করতে না পেরে যখন দিশেহারা, তখন শামীম সরকার এগিয়ে আসলেন। তার এই ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারব না।”
স্থানীয়রা শামীম সরকারের এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, সমাজের বিত্তবান ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা এভাবে এগিয়ে আসলে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী দেশের সম্পদে পরিণত হবে।








