ঢাকা | জুলাই ৮, ২০২৬ - ১২:২২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

হবিগঞ্জে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন নিয়ে সমালোচনার ঝড়, কালচারাল অফিসার অসিতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Tuesday, July 7, 2026 - 1:35 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 22 বার

স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে হবিগঞ্জে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬–২০২৭’ অনুষ্ঠানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানের আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকেই।

সমালোচকদের অভিযোগ, জাতীয় কবিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসবে তাঁর স্বরচিত গান ও কবিতার যথাযথ ছিল না। পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার বিচারক নির্বাচন নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।

অনেকের দাবি, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারীদের মধ্যে কেউ কেউ কবিতা বিষয়ে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞ নন। ফেসবুকে শাহ টুটন নামে একজন লিখেছেন, “একজন বিচারক দেখে আমি শিহরিত। জীবন কি করলাম! হবিগঞ্জের সংগীত জগতে কি যোগ্য লোক নেই?”

মো. আরিফ মানে নামে আরেকজন লিখেছেন, “নজরুল বর্ষ অনুষ্ঠানে গিয়ে ভেবেছিলাম নজরুলের গান শুনে মন ভরে ফিরব। কিন্তু সেখানে নজরুলের গান ছিল খুবই কম। বরং আব্দুল করিমের গান, বাংলা সিনেমার গান ও আধুনিক গান পরিবেশিত হয়েছে। তাহলে এটিকে কীভাবে নজরুল বর্ষ অনুষ্ঠান বলা যায়? সরকারি আড়াই লাখ টাকার বাজেটের অনুষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমের এমন করুণ অবস্থা কেন?”
সাংবাদিক সুরুজ আলী লিখেছেন, “হায়রে নজরুল উৎসব! যেখানে নজরুলের গানই নেই, সেখানে কীভাবে নজরুল উৎসব পালন করা হয়?”

সোহেল আহমেদ নামে একজন লিখেছেন, “হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের প্রতি আবেদন, শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসারকে শোকজ করা হোক। তিনি জাতীয় কবিকে অসম্মান করেছেন।”

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও অনেকে জেলা শিল্পকলা একাডেমি এবং কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্তের সমালোচনা করেছেন। সরকারি প্রায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান নিয়ে তারা আয়োজনের মান, শিল্পী নির্বাচন এবং উপস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন যে, নজরুলের সৃষ্টিকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তবে এ অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেয়নি।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্তের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।