ঢাকা | জুলাই ১১, ২০২৬ - ১১:৫২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

অপমান নয়, শিক্ষা: নীরবতাই হতে পারে সবচেয়ে শক্তিশালী জবাব

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, July 11, 2026 - 12:27 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 29 বার

মো. নাসির, বিশেষ প্রতিনিধি : মানুষের জীবনে অপমান, সমালোচনা কিংবা অসম্মান নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে এসব পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে ধৈর্য, আত্মসম্মান ও প্রজ্ঞার পরিচয় দেওয়াই একজন পরিণত মানুষের বৈশিষ্ট্য বলে মনে করেন অভিজ্ঞজনেরা।

তাদের মতে, কেউ যখন অন্যকে অসম্মান করে, তখন সেই আচরণ অনেক ক্ষেত্রেই তার নিজের মানসিকতা, ব্যক্তিত্ব, ধৈর্য ও মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায়। তাই অন্যের নেতিবাচক আচরণকে নিজের আত্মসম্মান বা যোগ্যতার মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

মনোবিজ্ঞানীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিটি বিতর্কে জয়ী হওয়ার চেয়ে নিজের মানসিক শান্তি রক্ষা করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অযথা তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়া মানসিক চাপ বাড়ায়, অথচ নীরবতা ও সংযম অনেক সময় সবচেয়ে কার্যকর প্রতিক্রিয়া হয়ে ওঠে।

প্রকৃতির উদাহরণ টেনে অনেকেই বলেন, ঈগল কখনো কাকের সঙ্গে তর্কে জড়ায় না; বরং আরও উঁচুতে উড়ে যায়। একইভাবে জীবনের লক্ষ্য, মর্যাদা ও আত্মসম্মানকে অগ্রাধিকার দিয়ে নেতিবাচক মানুষ ও পরিস্থিতি থেকে দূরে থাকাই প্রজ্ঞার পরিচয়।

সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, আত্মসম্মান বজায় রেখে নীরবে এগিয়ে চলা দুর্বলতার নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ও মানসিক দৃঢ়তার প্রকাশ। কারণ সব সম্পর্ক বা সব মানুষের জন্য নিজের সময়, শক্তি ও মানসিক শান্তি ব্যয় করা প্রয়োজন হয় না।

বিশেষজ্ঞদের বার্তা—অন্যের অসম্মান যেন আপনাকে প্রতিশোধ বা ক্রোধের পথে না নিয়ে যায়। বরং তা হোক আত্মউন্নয়ন, ইতিবাচক চিন্তা ও মানসিক শান্তির অনুপ্রেরণা। কারণ, জীবনে সফলতা অর্জনের অন্যতম চাবিকাঠি হলো নিজের মূল্যবোধ অটুট রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক থেকে দূরে থাকা।