ঢাকা | জুলাই ২২, ২০২৬ - ১১:২০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনবান্ধব পুলিশিংয়ে আস্থার প্রতীক রাজশাহীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, July 22, 2026 - 4:13 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 7 বার

সোহানুল হক পারভেজ রাজশাহী ব্যুরো প্রধান :অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং জনবান্ধব পুলিশিং—এই চারটি বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজশাহী জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান।

২৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের এই কর্মকর্তা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পেশাদার নেতৃত্ব, কঠোর তদারকি এবং মানবিক পুলিশিংয়ের সমন্বয়ে জেলা পুলিশকে আরও গতিশীল ও কার্যকর বাহিনীতে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।রাজশাহীর আটটি থানা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ ইউনিটকে নিয়ে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে অপরাধবিরোধী কার্যক্রম। তাঁর দিকনির্দেশনায় প্রতিটি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং এবং অন্যান্য অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করছেন। এর ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য

অর্জিত হয়েছে।পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানের নেতৃত্বে রাজশাহী জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি বাস্তবায়ন করছে। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন থানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।শুধু মাদক উদ্ধার নয়, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে অনেক এলাকায় মাদক ব্যবসার বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ

নিয়ন্ত্রণেও জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নিয়মিত বিশেষ অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।এছাড়া ওয়ারেন্ট তামিল, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার বিষয়ে প্রতিটি থানাকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট পুলিশিং বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন এসপি মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান। নিয়মিত অপরাধ পর্যালোচনা সভা (ক্রাইম রিভিউ), কল্যাণ সভা, মাস্টার প্যারেড এবং থানা পরিদর্শনের মাধ্যমে তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মকাণ্ড সরাসরি মূল্যায়ন করছেন।

পুলিশ সদস্যদের সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মান উন্নয়নে নিয়মিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পুলিশি কার্যক্রমে জবাবদিহিতা ও সেবার মান আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণের আস্থা অর্জনকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। থানায় আগত সেবা প্রত্যাশীদের দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি থানাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।ওপেন হাউস ডে, বিট পুলিশিং সভা, মতবিনিময় সভা এবং বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের দূরত্ব কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নারী, শিশু, প্রবীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও জেলা পুলিশ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।মাদক, সাইবার অপরাধ, কিশোর গ্যাং, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশ নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।সচেতন নাগরিক, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মনে করেন,

বর্তমান পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে রাজশাহী জেলা পুলিশ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল এবং জনসেবায় দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করেছে। পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসও আগের তুলনায় বেড়েছে।মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানের নেতৃত্বে সুদক্ষ নেতৃত্ব, পেশাদার দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানবিক উদ্যোগ রাজশাহীকে আরও নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জেলার প্রতিটি থানার সমন্বিত কার্যক্রম ও ধারাবাহিক অভিযানের ফলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।