ঢাকা | অক্টোবর ২৮, ২০২৬ - ১১:৫৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ইনকিলাব পার্টির আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন, চেয়ারম্যান আহম্মেদ শাকিল

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, October 28, 2026 - 1:14 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 33 বার

ঢাকা:বাংলাদেশ ইনকিলাব পার্টির আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহম্মেদ শাকিল এমএ-কে চেয়ারম্যান, মাহাবুবুল হক মাহফুজকে ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম সুমনকে মহাসচিব করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ইনকিলাব ভবনে অনুষ্ঠিত এক বর্ধিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত কমিটির অন্য পদে মাছুম রায়হান সফিককে সাংগঠনিক সম্পাদক, রেখা মনিকে দপ্তর সম্পাদক এবং মোহাম্মদ আউয়ালকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সভায় দলের নেতারা দেশের চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট তুলে ধরে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তাঁরা বলেন, দেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্যের চাপ কমানো, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি মোকাবিলা এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি।

সভায় দেওয়া বক্তব্যে দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ বর্তমানে গভীর সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। একদিকে রাজনৈতিক সংকট, অন্যদিকে অর্থনৈতিক চাপ সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। ভোটাধিকার হারিয়ে মানুষ দিশেহারা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, কর্মসংস্থানের অভাবে তরুণদের একটি অংশ হতাশ হয়ে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে।

বক্তব্যে আরও বলা হয়, এসব সংকটের পেছনে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার দায় রয়েছে। ওই শাসনামলে মানুষের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে এবং নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটেছে। তবে শুধু শাসনব্যবস্থার পতনই যথেষ্ট নয়; দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোয় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। তাঁদের ভাষায়, ‘পতনই শেষ নয়, এখন দরকার গঠন। এখন দরকার একটি নতুন বাংলাদেশ গড়া।’

বক্তব্যে বাংলাদেশ ইনকিলাব পার্টির আত্মপ্রকাশের উদ্দেশ্য তুলে ধরে বলা হয়, নতুন বাংলাদেশ গঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই দলটি কাজ করতে চায়। দেশের মানুষ ঐতিহাসিকভাবে অন্যায় ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন এবং ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান সেই সংগ্রামের ধারাবাহিকতা বলে উল্লেখ করা হয়।

দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন এবং ২০২৪ সালে রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর এখন স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার সময় এসেছে। এ জন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শক্তিশালী জাতি গঠন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

দলীয় সূত্র জানায়, আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ইনকিলাব পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে দলের কার্যক্রম বিস্তৃত করা এবং ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ইনকিলাব পার্টির আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহমদ শাকিল এমএ-কে চেয়ারম্যান, মাহাবুবুল হক মাহফুজকে ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম সুমনকে মহাসচিব করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ইনকিলাব ভবনে অনুষ্ঠিত এক বর্ধিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত কমিটির অন্য পদে মাছুম রায়হান সফিককে সাংগঠনিক সম্পাদক, রেখা মনিকে দপ্তর সম্পাদক এবং মোহাম্মদ আউয়ালকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সভায় দলের নেতারা দেশের চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট তুলে ধরে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তাঁরা বলেন, দেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্যের চাপ কমানো, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি মোকাবিলা এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি।

সভায় দেওয়া বক্তব্যে দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ বর্তমানে গভীর সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। একদিকে রাজনৈতিক সংকট, অন্যদিকে অর্থনৈতিক চাপ সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। ভোটাধিকার হারিয়ে মানুষ দিশেহারা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, কর্মসংস্থানের অভাবে তরুণদের একটি অংশ হতাশ হয়ে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে।

বক্তব্যে আরও বলা হয়, এসব সংকটের পেছনে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার দায় রয়েছে। ওই শাসনামলে মানুষের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে এবং নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটেছে। তবে শুধু শাসনব্যবস্থার পতনই যথেষ্ট নয়; দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোয় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। তাঁদের ভাষায়, ‘পতনই শেষ নয়, এখন দরকার গঠন। এখন দরকার একটি নতুন বাংলাদেশ গড়া।’

বক্তব্যে বাংলাদেশ ইনকিলাব পার্টির আত্মপ্রকাশের উদ্দেশ্য তুলে ধরে বলা হয়, নতুন বাংলাদেশ গঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই দলটি কাজ করতে চায়। দেশের মানুষ ঐতিহাসিকভাবে অন্যায় ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন এবং ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান সেই সংগ্রামের ধারাবাহিকতা বলে উল্লেখ করা হয়
দলটির পক্ষ থেকে