ভাঙ্গা হাসপাতালের অনৈতিক সুবিধা ভোগ করছেন একটি কুচক্রি মহল
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ ঠান্ডা-জ্বর ও সর্দির চিকিৎসার জন্য চিকিৎসা নিতে এক নারী আসেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বা¯’্য কমপ্লেক্সে।
পরিচয়পত্র ঝুলিয়ে দিয়ে, আড়ালে থেকে ভাঙ্গা হাসপাতালের অনৈতিক সুবিধা ভোগ করছেন একটি কুচক্রি মহল।
সম্প্রতি, শামিমের বিরুদ্ধে ¯’ানীয়রা একটি লিখিত অভিযোগ দেন ভাঙ্গা স্বা¯’্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে। সেই সুত্রে জানাযায়, শামিম দীর্ঘদিন যাবত ভাঙ্গা স্বা¯’্য কমপ্লেক্সের রোগীদের সঙ্গে অসৎ আচরন ও দুর্ব্যবহার করেন। শামিমের অনুসারীরা হাসপাতালের গেটের সামনে থাকে,
কোন সাধারণ রোগী চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসলে তাদের হাসপাতালে ভর্তি না করিয়া প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কোন রোগী যদি তার পরেও হাসপাতালে ভর্তি হতে চায়, তবে তাদের কাছ থেকে নগত অর্থ হাতিয়ে নেয়। যদি টাকা না দেয় তাহলে রোগীদের সাধে দুর্ব্যবহার করে। এছাড়াও টাকার বিনিময়ে হাসপাতালে সার্টিফিকেট বানিজ্যসহ, দালালি, চাঁদাবাজি, দুর্ণীতি ও রমরমা সার্টিফিকেট বানিজ্যের জন্য ভাঙ্গা স্বা¯’্য কমপ্লেক্সকেই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে শামিম। তার এহেন কর্মকান্ডের জন্য তার বিরুদ্ধে ব্যব¯’া নিতে ও হাসপাতালকে চাঁদাবাজ দালালমুক্ত করার জন্য কর্তৃপক্ষসহ অভিযোগের অনুলিপি দেওয়া হয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোতে।
এ বিষয়ে শামিম শেখ দাবি করেন, তিনি ভাঙ্গা স্বা¯’্য কমপ্লেক্সের একজন সে”ছাসেবী হিসেবে কাজ করছেন। এর জন্য আমাকে প্রতিমাসে ৬ হাজার টাকা বেতন দেন, যা আমি স্বাক্ষর করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নেই। তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
উপজেলা স্বা¯’্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রাণেশ পন্ডিত জানান, শামিম শেখ হাসপাতালের নিয়োগপ্রাপ্ত কেউ নন। তবে, শামিম কিভাবে কার মাধ্যমে হাসপাতালে আসলো সে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হ”েছ।
এছাড়াও হাসপাতালে যে কোন অনিয়ম দূর্ণীতি ও দালালমুক্ত রাখতে তিনি যাবতীয় ব্যব¯’া গ্রহণ করবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন রুবেল জানান, বিষয়টির তদন্ত সাপেক্ষে ব্যব¯’া নেওয়া হবে।ভাঙ্গা থানার ওসি জিয়ারুল ইসলাম জানান, এ বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হ”েছ।








