ঢাকা | মে ১৪, ২০২৬ - ৮:২৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

পত্নীতলা সাবরেস্ট্রার অফিসে লাগামহীন দূণীর্তি— দেখার যেন কেউ নেই

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, August 19, 2023 - 9:42 am
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 214 বার
পত্নীতলা ( নওগাঁ ) প্রতিনিধি: অনিয়ম দূণীর্তি কাকে বলে ? কত প্রকার ও কি কি তা জানা যেতোনা যদি পত্নীতলায় সাবরেস্ট্রারের কার্যালয় না থাকতো। তারা বিভিন্ন অযুহাতে জনসাধারণের পকেট ফাঁকা করে যাচ্ছে দিনের পর দিন। এই বিষয়টি সকলের জানা কিন্তু দূর্ণীতিবাজরা যেন ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। নিয়ম বহিরভূত ভাবে টাকা নেবার প্রতিবাদ যদি কেউ করে তাহলে তার কাজ হবে না আর এ জীবনে। এসব বিষয় অস্বিকার করেন পত্নীতলা সাবরেস্ট্রার কর্মকর্তা শ্রী পরিতোষ কুমার । তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকশর্তে সাবরেস্ট্রারের সকল কথা মূহর্তে¡র মধ্যেই উড়োধুরে করে উড়ে দিয়ে বলেন, সকল নাটের গুরু হলো সাবরেস্ট্রার। তিনি তার কর্মচারিদের মাধ্যমে পকেট ভরান। যা দীর্ঘদিন থেকে চলমান। যদি তাই না হতো তাহলে তিনি তার অফিস দূণীর্তিমুক্ত রাখছেন না কেন?  একজন অফিসার চাইলে মূহত্বের্র মধ্যেই তার কার্যালয় দূণীর্তিমুক্ত করতে পারবে। তাহলে তিনি কেন তার অফিস দূণীর্তি মুক্ত করছেন না।

স্মরেজমিনে ছদ্মবেশে গিয়ে দেখা যায়, একজনের কাছ থেকে জমি ক্রয় করা হবে কিন্তু সেই জমিটি অন্য কারো নামে আছে কিনা বা অন্য কেউ কিনেছে কিনা সেটা যাচাই—বাছাই এর জন্য ভলিয়ম দেখা প্রয়োজন। অফিস কক্ষে যারা এই দায়িত্বে আছেন তাদের বলা হলো তারা উত্তরে বললেন, প্রতিবছর অনুযায়ী ৩৫০ টাকা দিতে হবে। তাদের টাকা কমানোর জন্য অনুরোধ করলে সাল অনুযায়ী ৫০ টাকা কমে ৩০০ টাকা ফাইনাল করেন। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আমাদের কাজটি করে দেওয়া হলো খুব সহজে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকশর্তে একাধিক ভূক্তভোগী বলেন, ভাই আমাদের কাছ থেকে প্রতি সাল অনুযায়ী ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে এসকল অভিযোগ কে কর্ণপাত না করে সাবরেস্ট্রার শ্রী পরিতোষ কুমার বলেন, আমার অফিসে দূণীর্তি হবার কোন সুযোগ নেই। সাল অনুযায়ী ভলিয়াম খুঁজতে হলে ২০ টাকা দিতে হয়। সাবরেষ্ট্রারের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হলো যদি কেউ ২০ টাকার বেশি নিয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ভাই এখানে যারা বসে আছে তারা আমার স্টাফ না। আমি তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিবো। তাহলে তারা আপনার অফিসে বসে কিভাবে এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন সাব-রেজিস্ট্রার শ্রী পরিতোষ কুমার।

এবিষয়ে এলাকার সূধিসমাজগণ বলেন, এখন আমাদের ঘৃণা হয় পত্নীতলা সাবরেস্ট্রার অফিসের কথা শুনলে। সব চোর বাটবার দিয়ে ভরে রেখেছে অফিস। তারা দিন দুপুরে সিমাহীনভাবে মানুষের কাছ থেকে নিয়মবহিভূত ভাবে টাকা নেয়।