পত্নীতলা সাবরেস্ট্রার অফিসে লাগামহীন দূণীর্তি— দেখার যেন কেউ নেই
স্মরেজমিনে ছদ্মবেশে গিয়ে দেখা যায়, একজনের কাছ থেকে জমি ক্রয় করা হবে কিন্তু সেই জমিটি অন্য কারো নামে আছে কিনা বা অন্য কেউ কিনেছে কিনা সেটা যাচাই—বাছাই এর জন্য ভলিয়ম দেখা প্রয়োজন। অফিস কক্ষে যারা এই দায়িত্বে আছেন তাদের বলা হলো তারা উত্তরে বললেন, প্রতিবছর অনুযায়ী ৩৫০ টাকা দিতে হবে। তাদের টাকা কমানোর জন্য অনুরোধ করলে সাল অনুযায়ী ৫০ টাকা কমে ৩০০ টাকা ফাইনাল করেন। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আমাদের কাজটি করে দেওয়া হলো খুব সহজে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকশর্তে একাধিক ভূক্তভোগী বলেন, ভাই আমাদের কাছ থেকে প্রতি সাল অনুযায়ী ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে এসকল অভিযোগ কে কর্ণপাত না করে সাবরেস্ট্রার শ্রী পরিতোষ কুমার বলেন, আমার অফিসে দূণীর্তি হবার কোন সুযোগ নেই। সাল অনুযায়ী ভলিয়াম খুঁজতে হলে ২০ টাকা দিতে হয়। সাবরেষ্ট্রারের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হলো যদি কেউ ২০ টাকার বেশি নিয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ভাই এখানে যারা বসে আছে তারা আমার স্টাফ না। আমি তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিবো। তাহলে তারা আপনার অফিসে বসে কিভাবে এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন সাব-রেজিস্ট্রার শ্রী পরিতোষ কুমার।
এবিষয়ে এলাকার সূধিসমাজগণ বলেন, এখন আমাদের ঘৃণা হয় পত্নীতলা সাবরেস্ট্রার অফিসের কথা শুনলে। সব চোর বাটবার দিয়ে ভরে রেখেছে অফিস। তারা দিন দুপুরে সিমাহীনভাবে মানুষের কাছ থেকে নিয়মবহিভূত ভাবে টাকা নেয়।








