কেরানীগঞ্জে ক্লু-লেস প্রকৌশলী হত্যার রহস্য উদঘাটন: ৩ আসামী গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি: কেরানীগঞ্জের আরশিনগরে ক্লু-লেস প্রকৌশলী সদরুল আলম
হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও এই মামলার তিন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানের কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এতথ্যটি জানান। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হল আলামিন (২২),মোঃ শুভ (২৪) ও রিমন হোসেন২৬)। প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি আরো জানান, নিহত প্রকৌশলী সদরুল আলম আরশিনগর এলাকায় ইউনুস মিয়ার বাড়ির ৪র্থ তলার একটি ফ্ল্যাট বাসায় ভাড়া থাকতেন। মাঝে মাঝে তার স্ত্রী বেড়ানোর জন্য ওই বাসায় আসতেন। তিনি তাসিফ করপোরেশন পিটিই লিমিটেডে সেলস এন্ড সার্ভিস ডিপার্টমেন্টে ম্যানেজার পদে কর্মরত ছিলেন। গত ১২ আগষ্ট তিনি একাই বাসায় ছিলেন।
এসময় রাত আনুমানিক ১২টার সময় বাসার ফ্ল্যাটের ভ্যান্টিলিটার ভেংগে আল আমিন নামে এক চোর ঘরে প্রবেশ করে। এসময় প্রকৌশলী সদরুল আলম হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখতে পায় ঘরের ভিতর চোর। এসময় তিনি চোর চোর বলে চিৎকার করতে থাকে। এতে ওই চোর তাকে একাধিকবার ছুরি কাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে ফ্ল্যাটের মালিক জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে পুলিশকে সংবাদ প্রদান করলে কেরাণীগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিডফোর্ট) হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে।
এ ঘটনায় কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় ভিসিষ্টের আপন বড় বোন মোসাঃ রেবেকা সুলতানা রত্না বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রথমে আলামিনকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্য তথ্য অনুযায়ী মোঃ শুভ ও রিমন হোসেনকে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকাথেকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। গ্রেফতারকৃত চোররা মোহাম্মদপুর এলাকায় বসবাস করে।দিনের বেলায় ভ্যান নিয়ে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রেকি করত এবং সুযোগ বুঝে রাতের বেলা চুরি করে বেড়াত। কৃতদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানামোহাম্মদপুর থানা সহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।








