ঢাকা | মার্চ ১১, ২০২৬ - ১২:৪১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

জেলায় শ্রেষ্ট ওসি নির্বাচিত ভালুকার ওসি শাহ কামাল আকন্দ

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, February 14, 2024 - 5:54 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 66 বার

ষ্টাফ রিপোর্টারঃময়মনসিংহের দক্ষ, কৌশলী ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা, কোতোয়ালি মডেল থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ।

যিনি বর্তমানে ভালুকা মডেল থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ওসি শাহ কামাল আকন্দ যেখানেই দায়িত্ব পালন করেন সেখানেই মানবিক দায়িত্ববোধ সম্পন্ন দক্ষ, কৌশলী এবং কাজে পারদর্শী একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় রেখে যান। এর আগে তিনি ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক প্রশংসা কুরিয়েছেন। কোতোয়ালি মডেল থানা ও ডিবি পুলিশের ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অসংখ্য অজ্ঞাত হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার, ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন ও আন্তঃজেলা ডাকাতদলকে গ্রেফতার করেন।

অপরদিকে ময়মনসিংহ নগরী চুরি, ছিনতাইরোধসহ মাদকমুক্ত বাসযোগ্য নগরী গড়তে দিবারাত্রি কাজ করে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের সাজা নিশ্চিত করে ব্যাপক প্রশংসা কুরিয়েছেন। একইসাথে পরোয়ানা ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের আদালতের নির্দেশে গ্রেফতার করে চলমান বিচার কাজ দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করেন। তার এ সকল কর্মকান্ডে জেলা ও রেঞ্জ পুলিশে বার বার তিনি শ্রেষ্টত্বের পুরস্কার লাভ করেছেন। সম্প্রতি তিনি ভালুকা মডেল থানায় গিয়েও থেমে নেই।

আবারো ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হলেন শাহ-কামাল আকন্দ। অনেকেই মনে করছেন মানুষের নিশ্চিত করণেই তিনি দায়িত্ব পালন কাজ করেন। তার নিরলস দায়িত্ব ও প্রচেষ্টা থেকেই তিনি ওসি শাহ কামাল আকন্দ বুধবার আবারো শ্রেষ্টত্বের পুরস্কার লাভ করেছেন। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা মাসিক কল্যাণ সভায় তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন।

ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন-মানুষ মানুষের জন্য–সেবার ব্রত নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাই প্রকৃত মানবতা। তিনি বলেন- পুলিশের একজন ইনচার্জ হিসেবে আমি আমার সর্বোচ্চ মেধা, শ্রম আর প্রজ্ঞা দিয়ে চেষ্টা করছি। যখন যে থানায় ওসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করি সে থানাকে জনবান্ধব, সৎ এবং দক্ষ ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলতে সব সময় চেষ্টা করে থাকি।

সে ক্ষেত্রে আমার সহকর্মীরা আমাকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করেন। আমাকে কাজ করার এবং এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকেন। যতটুকু সফল হয়েছি তার সব কৃতিত্ব আমার সহকর্মীদের আর ব্যর্থতার সব দায় আমার। আমার এই কর্মকাল আমৃত্যু আমার স্মৃতিতে জাগরুক থাকবে। সহযোগিতার জন্য সম্মানিত ভালুকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’