ঢাকা | মার্চ ১৩, ২০২৬ - ৭:৩২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

তুর্কমেনিস্তানের পাক রাষ্ট্রদূত কেকে ওয়াগনকে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠাল আমেরিকা

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, March 12, 2025 - 1:10 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 50 বার
মোঃ নাসির, নিউ জার্সি (আমেরিকা) প্রতিনিধিঃ তুর্কমেনিস্তানে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে বিমানবন্দর থেকেই ফেরত পাঠাল আমেরিকা। তবে কী কারণে তাঁকে আমেরিকায় থাকতে দেওয়া হল না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ মার্কিন অভিবাসন দফতর সুস্পষ্ট ভাবে কোনও কারণের কথা জানায়নি।
ইচ্ছে ছিল লস এঞ্জেলসে ছুটি কাটাবেন। কিন্তু আমেরিকার মাটিতে পা দিতে পারলেন না তুর্কমেনিস্তানে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত কেকে ওয়াগন। বিমানবন্দর থেকেই পত্রপাঠ ফেরত পাঠানো হল তাঁকে। অবশ্য কী কারণে ওয়াগনকে আমেরিকায় থাকতে দেওয়া হল না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মার্কিন অভিবাসন দপ্তরও বিষয়টি খোলসা করেনি। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে অবশ্য এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিবৃতিও দিয়েছে তারা।
এই বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য লস এঞ্জেলসের উপদূতাবাসকে নির্দেশ দিয়েছে পাক বিদেশ মন্ত্রক। গত সপ্তাহেই প্রকাশ্যে এসেছিল, পাকিস্তানের নাগরিকদের আমেরিকায় ঢোকার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করতে চলেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তার মধ্যে পাক রাষ্ট্রদূতকে বিমানবন্দর থেকে ফেরানোর ঘটনাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, তুর্কমেনিস্তানের পাক রাষ্ট্রদূত কেকে ওয়াগন ছুটি কাটানোর জন্য লস এঞ্জেলস রওনা দেন। তাঁর কাছে বৈধ ভিসা ছিল।
তা সত্ত্বেও অভিবাসন দফতরের আধিকারিকেরা তাঁকে বিমানবন্দরে আটকান। অবিলম্বে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে। মার্কিন অভিবাসন দপ্তর সূত্রে খবর, ওই পাক কূটনীতিকের ভিসার কিছু দিক বিতর্কিত এবং সন্দেহজনক। সম্ভবত সেই কারণেই তাঁকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে একাধিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, কেকে ওয়াগনকে আমেরিকা থেকে ফেরতে পাঠানো হয়েছে।
অভিবাসন দফতরের আপত্তির কারণেই তাঁকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ‘কে কে এহসান ওয়াগানকে আমেরিকা থেকে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। তাঁর ইমিগ্রেশন নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে।’ পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার এবং সেক্রেটারি আমিনা বালোচ লস অ্যাঞ্জেলেসের দূতাবাসের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন।

তাঁর সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল, কেন তাঁকে ফেরানো হলো, তা বিস্তারিত জানতে কে কে এহসান ওয়াগানকে ইসলামাবাদে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পাক বিদেশ মন্ত্রক।

পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকে নানা পদে কাজ করেছেন কে কে এহসান ওয়াগান। তুর্কমেনিস্তানের রাষ্ট্রদূত পদে বসার আগে তিনি কাঠমান্ডুর পাক দূতাবাসে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। লস অ্যাঞ্জেলেসে পাক দূতাবাসে কনসাল জেনারেল হিসেবেও কাজ করেছেন।উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে শোনা গিয়েছিল ‘সন্ত্রাসের কারখানা’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপের পথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাক নাগরিকদের জন্য আমেরিকার দরজা চিরতরে বন্ধ করতে চলেছেন তিনি। পাকিস্তানের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চলেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তারপরেই আটকে দেওয়া হল পাক রাষ্ট্রদূতকে।