গাছে গাছে কাঁঠাল, সরগরম মৌসুমি বাজার
রাজন আবেদীন রাজু, স্টাফ রিপোর্টার:কমলগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি এলাকায় এখন যেন কাঁঠালের উৎসব। বাড়ির আঙিনা, রাস্তার ধারে, পাহাড়-টিলা, অফিস চত্বর কিংবা বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ—সবখানেই গাছে গাছে ঝুলছে পুষ্টিগুণে ভরপুর রসালো কাঁঠাল। জ্যৈষ্ঠ মাসের মধ্যভাগে এসে বাজারেও উঠতে শুরু করেছে পাকা কাঁঠাল।
স্থানীয়রা বলছেন, এবারের আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাঁঠালের ফলন হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ। উপজেলার শমশেরনগর, চন্ডীপুর, টিলাগাঁওসহ বিভিন্ন গ্রামে এখন প্রতিটি কাঁঠাল গাছে দেখা যাচ্ছে বড় বড় ফল। পর্যটকদের আগ্রহও চোখে পড়ার মতো।
পৌর এলাকার ভানুগাছ রেলওয়ে স্টেশনের পাশে শতাধিক কাঁঠাল ঝুলছে কয়েকটি গাছে। প্রতিদিন শত শত যাত্রী ও পর্যটক সেখানে দাঁড়িয়ে কাঁঠালের পাশে ছবি তুলছেন।চাষির মুখে হাসি শমশেরনগরের কৃষক নিজাম উদ্দিন বলেন, “কাঁচা কাঁঠালের দাম ভালো থাকায় আগেই বিক্রি করেছি, লাভও হয়েছে ভালো।”
চন্ডীপুরের কৃষক খালেদ আহমদ জানান, আমের ফলন কম হওয়ায় কাঁঠালের চাহিদা বেড়েছে। পাইকাররা গ্রামে এসে আগাম ক্রয় করছে।
টিলাগাঁওয়ের নয়ন মিয়া বলেন, “আমাদের ১২টি গাছে প্রচুর কাঁঠাল ধরেছে। পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে আত্মীয়স্বজনদের দিচ্ছি। গাছ না থাকলেও কেউ খালি হাতে ফিরছে না।”
কৃষি অফিসের আশাবাদ
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়েন্ত কুমার রায় বলেন, “কমলগঞ্জের বেলে-দোঁআশ মাটি ও জলবায়ু কাঁঠাল চাষের জন্য আদর্শ। এবছর আবহাওয়া সহায়ক থাকায় ফলন খুব ভালো হয়েছে। কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল এবং এটি দারুণ পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ।”








