গভীর রাতে মামীর ঘরে ভাগিনা, ১০ হাজার টাকায় গ্রাম্য সালিশে মীমাংসা
নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দায় মামির সাথে এক ভাগিনার দীর্ঘ দিনের পরকিয়ার প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নে অনাথ সিমলা গ্রামের এক প্রবাসীর বাড়িতে এই এলাহী কান্ডটি ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১১নং কালিকাপুর ইউনিয়নের অনাথ শিমলা গ্রামের প্রবাসী সেকেন্দার আলীর স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৩৮) এর সাথে একই গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে সাঈদ হোসেন (৩০) কে গভীর রাতে মামীর সাথে এক ঘরে দেখতে পেয়ে তাদের আটক করে বেঁধে রাখে।
এলাকাবাসী জানান, মামার অনুপস্থিতির এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে অনাথ সিমলা গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে সাঈদ হোসেনের সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রীর ফিরোজা বেগমের সাথে কৌশলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
পরকিয়া সম্পর্কের একপর্যায়ে রবিবার দিবাগত রাতে গ্রামের স্থানীয় এক বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠান চলার একপর্যায়ে মধ্যরাতে মামি অনুষ্ঠান ছেড়ে বাড়িতে চলে যায় এ সময় প্রবাসী মামার বাড়িতে ঐ যুবক যায়। এসময় তার শশুর বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়দের জানান। পরে শয়ন ঘর থেকে মামি-ভাগিনাকে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় দুজনকে ধরেন স্থানীয় এলাকাবাসী।পরকিয়া প্রেমিক সাঈদ ঐ প্রবাসীর স্ত্রীর সম্পর্কে ভাগিনা হয়।
ঘটনার বিষয়টি জানাজানি হলে পরদিন দুপুরে স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গ্রাম্য সালিশে বিষয়টি ১০ হাজার টাকায় মীমাংসা করে দেন। ৫০০ টাকা গ্রাম পুলিশকে দিতে বলেন এবং ৯৫০০ টাকা স্থানীয় মসজিদে দিতে বলেন ১১নং কালিকাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম বাবু।
তবে অবৈধ সম্পর্কের টাকা এভাবে প্রকাশ্যে মসজিদে দেওয়ায় অনেকেই দিতে বারণ এবং মসজিদে না নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম বাবু বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের বোর্ড খরচ হিসেবে টাকা নেওয়া হয়েছে এবং ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সেই টাকা আমি মসজিদে দিয়েছি।#








