ঢাকা | মে ১৪, ২০২৬ - ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ফারুক হোসেনের আধিপত্যে দুর্নীতি ও অপকর্মের কাছে জিম্মি বিআইএসএফ

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Tuesday, October 21, 2025 - 12:10 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 246 বার

ঢাকা প্রতিবেদক: শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিসিআইসি অধিদপ্তরের একটি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ ইন্সুলেটর সেনেটারি ফ্যাক্টরি ওয়ার (বিআইএসএফ) এখানকার একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ফারুক হোসেন, পাঁচ- ই আগস্ট এর আগ পর্যন্ত আওয়ামী ঠিকাদারদের সাথে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অপকর্মের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে তবে পাঁচই-ই আগস্ট এর পরেও থেমে নেই তার আধিপত্য, তার ভয়ে অফিসের অন্যান্য স্টাফ ও কর্মকর্তা কেউ মুখ খুলতে চায় না। ফারুক হোসেন নামে বেনামে নিজেই ঠিকাদারি লাইসেন্স করে পড়ে তুলেছেন নিজস্ব একটি সিন্ডেকেট। সম্প্রতি তার দূর্নীতি ও অনিয়নের বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে বিআইএসএফ ও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য সূত্রে জানা গেছে, ফারুক হোসেনের আপন ভাই বিসিআইসি এর পরিচালক যার ফলে তার বদলি বা দুর্নীতর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কেউ সাহস পায় না। যার কারণে একজন সরকারি কর্মকর্তা কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বা কোন লাভ জনক ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকতে পারেন কিনা এমন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে, দপ্তরের একজন দায়িত্বশীল কর্মচারী জানান, ফারুক হোসেন ও তার আত্মীয় নিজেরাই ঠিকাদার ৫ আগষ্টের পরে ও আগে তারা নামে বেনামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পড়ে তোলেন এবং নিজেই এসব কাজ লোকজন দিয়ে করান। এসব করে সে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।

সম্প্রতি এক অনুসন্ধানে জানা যায়, ফারুক হোসেন যেসব লাইসেন্স ব্যবহান করে কাজ করেন সেগুলো বেনামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এবা তারা আত্মীয়দেন। এরমধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম দেশী এন্টারপ্রাইজ। মালিকের নাম আবু সারোয়ার সিদ্দিকী বাবলু। পিতার নাম মোহাম্মাদ কপিল হোসেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাবলু তার নিজের বোন জামাই হিসেবে পরিচিত। মূলত এই কোম্পানির মালিক ম্যানেজার এডমিন ফারুক হোসেন। বর্তমান তিনি এই প্রতিষ্টান দিয়ে অবৈধ্য পথে কোটি কোটি রোজগারের পথ গড়েছেন। তাছাড়া কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের যথাযত কাগজপত্র ঘাটতি ছিল, যেমন টিন সার্টিফিকেট ছিলো না, এবং ট্রেড লাইসেন্স এর ঠিকানায় কোনো অফিস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এবং পরে জানা যায় ফারুক হোসেন তার আপন ভগ্নিপতির নামে একটি ট্রেড লাইসেন্স করেন বিআইএসএফ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর রেজাউল করিম কে তার ভাইকে দিয়ে কাজ পাইয়ে দিতে চাপ প্রয়োগও করে, এবং যেহেতু ফারুক হোসেন এই নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব ছিলেন- তাই বিষয়টি নিয়ে অন্য কর্মকর্তাদের কথা বলার সুযোগ কম ছিল। এসব অপকর্ম সে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। ‎সূত্র জানায়, বিআইএসএফতে যখন দেশী এন্টার প্রাইজকে যখন লোকবল নিয়োগের দায়িত্ব পায়, তখন এই কোম্পানির পক্ষে দুর্নীতিবাজ ফারুক হোসেন নিজে সশরীরে ব্যাংকে উপস্থিত হয়ে পিজি জমা করেন।

‎সরকারি চাকুরির চেয়ারে বসে সেই প্রতিষ্ঠানের মাঝে সিন্ডিকেট গড়ে অর্থ লোপাটসহ জালিয়াতিতে জড়ানো সরকারি চাকুরি বিধির লঙ্ঘন হিসেবে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ড. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, এমন উম্মুক্ত প্রতারণার বিষয়ে দূর্নীতি দমন কমিশনের উচিৎ হবে তদন্তর মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে দূর্নীতি দমন কমিশনের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান বাংলাদেশ ইন্সুলেটর সেনেটারি ফ্যাক্টরি ওয়ার (বিআইএসএফ) এখানকার একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে দূর্নীতি অপকর্মের তথ্য প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হতে পারে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ইনসুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ এর ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ও প্রশাসন বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ ফারুক হোসেন জানান, এসবের কিছু সত্যি কিছু মিথ্যা আছে। আপনারা দেখা করেন কথা হবে।