মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন
স্নিগ্ধা খন্দকার,স্টাফ রিপোর্টারঃ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নসহ দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর ২০২৪) সকাল ১০টায় হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এসোসিয়েশন এবং ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
স্বাস্থ্যখাতের গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা তুলে ধরেন বক্তারা
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে ল্যাব পরীক্ষণ, রিপোর্ট প্রস্তুত, এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই পরিচালনা, ওষুধ সংরক্ষণ ও সরবরাহ—স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা সরাসরি কাজ করেন।
কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বেতন–গ্রেড, পদোন্নতি ও অন্যান্য সুবিধায় তারা বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন।
বক্তারা আরও বলেন, “একই দক্ষতা ও দায়িত্ব পালনকারী অন্য পেশাজীবীরা ১০ম গ্রেড পেলেও টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা এখনো সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত। দ্রুত দাবি মানা না হলে সারাদেশে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে পেশাজীবীদের একাত্মতার উপস্থিতি
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন—
বি কে দাস (ফার্মাসিস্ট), লাভলী খাতুন (মেডিকেল টেকনোলজিস্ট–ল্যাব),
অজয় কুমার সরকার (মেডিকেল টেকনোলজিস্ট–রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং), আব্দুল্লাহ আল মামুন (মেডিকেল টেকনোলজিস্ট–ডেন্টাল),
রবিউল ইসলাম (মেডিকেল টেকনোলজিস্ট–রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং), লতিফ হাসান (ফার্মাসিস্ট),
আতিকুর রহমান (ফার্মাসিস্ট), মাফিয়া ফেরদৌসী (মেডিকেল টেকনোলজিস্ট – ল্যাব), সুসনজিত কুমার (মেডিকেল টেকনোলজিস্ট–ল্যাব)।
এ ছাড়া বিভিন্ন বিভাগের আরও অসংখ্য টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মানববন্ধনে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, হাসপাতালের প্রতিটি বিভাগে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করেন টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। তাদের দক্ষতা, ঝুঁকি ও কর্মচাপ বিবেচনায় ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।
ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়ন হলে স্বাস্থ্যসেবা আরও গতিশীল হবে এবং কর্মপরিবেশে নতুন উদ্যম সৃষ্টি হবে বলেও উল্লেখ করেন তারা।
কর্মসূচির শেষে পেশাজীবীরা বলেন—
“স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ন্যায্য দাবি দ্রুত পূরণ করা জরুরি। আমরা বিশ্বাস করি—সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।”
আয়োজনে সহযোগিতা করেন—
টিম রনভেরি, তারুণ্য শক্তি ফার্মাসিস্ট পরিচর্যা, বাংলাদেশ ডি.জি.এফ.পি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এসোসিয়েশন।
স্বাস্থ্যখাতের গুরুত্বপূর্ণ এই পেশাজীবীদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নে সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।








