ঢাকা | মার্চ ১০, ২০২৬ - ১২:২৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

পাহাড়ে পায়ে পায়ে রোমাঞ্চ: রাজকান্দি হিল ম্যারাথনে দেশজুড়ে দৌড়বিদদের মিলনমেলা

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, January 10, 2026 - 5:14 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 108 বার
রাজন আবেদীন রাজু, স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকৃতির অপরূপ শোভা আর দুর্গম পাহাড়ি পথের চ্যালেঞ্জকে সঙ্গী করে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে রাজকান্দি হিল ম্যারাথন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের যোগীবিল এলাকায় আয়োজিত এই ম্যারাথনে ২৫ কিলোমিটার ও ১০ কিলোমিটার দুটি ক্যাটাগরিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত চার শতাধিক দৌড়বিদ অংশগ্রহণ করেন।
ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে সকাল সাড়ে ৬টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন ঢাকা সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেস ডিরেক্টর মো. জাকির হোসাইন, ইভেন্ট ম্যানেজার সুলেমান হাসান, মিডিয়া ম্যানেজার আসিফ ইবনে জামান, কমলগঞ্জ রানার্সের এডমিন এবাদুর রহমানসহ আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্গম পাহাড়ি পথ, চা-বাগান ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা ট্রেইলে দৌড়বিদদের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা ছিল চোখে পড়ার মতো। এটি কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; বরং প্রকৃতিপ্রেমী ও স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
ম্যারাথনে অংশ নেওয়া দৌড়বিদ শুভ আফ্রিদী বলেন, “আগেও কয়েকবার ম্যারাথনে দৌড়েছি, তবে পাহাড়ে এই প্রথম। উঁচু-নিচু পথ আর চারপাশের প্রকৃতি মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা ছিল অসাধারণ। সুস্থ থাকতে নিয়মিত দৌড়ের বিকল্প নেই।”
রেস ডিরেক্টর মো. জাকির হোসাইন বলেন, “প্রতি বছর নতুন ও চ্যালেঞ্জিং রুটে আয়োজন করার লক্ষ্য থাকে আমাদের। আল্ট্রা ম্যারাথনপ্রেমীরা সারা বছরই এই ইভেন্টকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নেন। যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ভবিষ্যতেও নিয়মিত এমন আয়োজন করা হবে।”
প্রধান অতিথি মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন বলেন, “দেশজুড়ে দৌড় প্রতিযোগিতাগুলো স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের জন্য নীরব এক বিপ্লব। কমলগঞ্জের মতো পাহাড়ি উপজেলায় এত দৌড়বিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। দৌড় সব বয়সী মানুষের সুস্বাস্থ্যের কার্যকর মাধ্যম।”
প্রতিযোগিতা শেষে পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগে বিজয়ীদের হাতে নগদ অর্থ ও আকর্ষণীয় ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।