ঢাকা | মার্চ ১২, ২০২৬ - ১১:০৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

রাজাপুরে চাঁদাবাজি মামলায় দুই আসামি গ্রেফতার

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Thursday, March 12, 2026 - 2:26 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 6 বার

ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি : ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার নৈকাঠি এলাকায় আল আমীন নামের এক কাঁচামাল(সবজি) ব্যাবসায়ীর কাছে চাঁদাবাজির ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজাপুর থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজাপুর থানায় দায়ের করা জিআর মামলা নং ১১ অনুযায়ী চাঁদাবাজির অভিযোগে এজাহারভুক্ত দুই আসামি নৈকাঠি এলাকার বাসিন্দা মৃত আলতাফ সিকদারের ছেলে মো. মিলন সিকদার এবং মৃত বেলায়েত হোসেন সিকদারের ছেলে মো. মামুন সিকদার’কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা উভয়েই উপজেলার নৈকাঠি এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

মামলার বাদী স্থানীয় ব্যবসায়ী আল আমীন অভিযোগ করে বলেন, আনুমানিক পাঁচ মাস আগে মাওদুদ সিকদার আমাকে নৈকাঠি বাজারের হিন্দুপাড়ার রাস্তায় ডেকে নিয়ে বলে “আমাকে বিশ হাজার টাকা দিবি” আমার টাকা লাগবে। বাজারে ব্যাবসা করতে হলে আমাকে টাকা দিতে হবে। আমি নিরুপায় হয়ে তাকে দশ হাজার টাকা দেই। টাকা পেয়ে কিছু দিন থেমে থাকলেও গত ৩ মার্চ সন্ধায় আমার কাছে পুনরায় দশ হাজার টাকা দাবি করে মাওদুদ সিকদার। টাকা দিতে পারব’না বলে জানালে মাওদুদ সিকদার আমাকে বিভিন্ন হুমকি দেয়। ৪ মার্চ বেলা সাড়ে ১১ টায় মাওদুদ সিকদার বাজারে এসে আমাকে বেধরক মারধর করে এবং সন্ধা সাড়ে সাতটায় টায় দিকে আমার ও আমার ভাই শহিদুলের ওপর দলবল নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় কোনো মতে প্রাণে বেঁচে গেলেও আবার দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র সহ দলবল নিয়ে মাওদুদ সিকদার আমাদের বাড়ীতে গিয়ে আমাদের না পেয়ে হাত কেটে নিবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। তিনি আরও জানান,তার কাছে অবৈধভাবে চাঁদা দাবি, মারধর ও বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়। পরে তিনি রাজাপুর থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।
মামলার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) নজরুল ইসলাম জানায়, “চাঁদাবাজির মামলায় এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দমনে পুলিশের এমন পদক্ষেপ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

০১৭১৭৭৮৮৮৮৮