ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির নথিতে এই রোবটগুলোকে বিপজ্জনক, সংকীর্ণ, অস্থিতিশীল বা মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পরিদর্শন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং বিপদ শনাক্তকরণের কাজে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত ক্রয়ের জন্য ব্যয় হতে পারে প্রায় ১০ লাখ থেকে ২০ লাখ ডলার।
রোবট কুকুরগুলো দূর থেকে পরিচালনা করা যায় এবং এতে ক্যামেরা ও অন্যান্য সেন্সর ব্যবহার করা সম্ভব। এগুলো কঠিন জায়গায় প্রবেশ করে পরিস্থিতি সম্পর্কে কর্মকর্তাদের তথ্য দিতে পারে। ফলে কোনো অভিযান পরিচালনার আগে ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া এবং কর্মকর্তাদের সরাসরি বিপদের মুখে পড়ার সম্ভাবনা কমানোই এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
তবে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়ে নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের প্রশ্ন, অভিবাসন enforcement-এর মতো সংবেদনশীল কার্যক্রমে রোবট ও উন্নত নজরদারি প্রযুক্তির ব্যবহার হলে এর ওপর যথেষ্ট আইনি ও জনসাধারণের নজরদারি থাকবে কি না।
Boston Dynamics জানিয়েছে, তাদের রোবটগুলো মানুষকে বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে দূরে রাখতে এবং প্রথম সাড়াদানকারী সংস্থাগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি মূল্যায়নে সহায়তা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। কোম্পানির নীতিমতে, তাদের রোবটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
ICE-এর রোবট কুকুর কেনার উদ্যোগ এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন enforcement কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাই ২০২৬-এ ICE প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে বলে সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রযুক্তির এই নতুন ব্যবহারকে প্রশাসন কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির উপায় হিসেবে দেখলেও, সমালোচকদের কাছে এটি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অভিবাসন নীতিতে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের একটি নতুন দৃষ্টান্ত। এখন দেখার বিষয়, বাস্তবে এসব রোবট কোথায় এবং কী ধরনের অভিযানে ব্যবহার করা হবে এবং তাদের ব্যবহারের ওপর কী ধরনের নীতিমালা ও নজরদারি থাকবে।