ঢাকা | আগস্ট ৩১, ২০২৬ - ৬:৫১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

সিনেটের লড়াইয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কারিশমা মানজুর-

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Monday, August 31, 2026 - 12:29 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 1 বার
মো. নাসির, নিউ জার্সি প্রতিনিধি:
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রাজনীতির ময়দানে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চিকিৎসাবিজ্ঞানী ড. কারিশমা মানজুর। নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে মার্কিন সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন চাইছেন মুক্তিযুদ্ধের বীর উত্তম ও সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল মুহম্মদ আবুল মঞ্জুরের এই মেয়ে।
পরিচিতি ও পটভূমি
কারিশমা মানজুর বায়োকেমিস্ট্রি ও আণবিক জীববিজ্ঞানে পিএইচডিধারী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞান গবেষণায় তার দুই দশকের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে।  মৃগীরোগ, বিষণ্নতা এবং বিভিন্ন স্নায়বিক ও মানসিক রোগ নিয়ে তাঁর গবেষণা একাধিক আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।  নির্বাচিত হলে বিজ্ঞানের কোনো বিষয়ে পিএইচডিধারী প্রথম নারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে দায়িত্ব পালনের সুযোগ তার হবে বলে প্রচারাভিযানের দাবি।
গবেষণার পাশাপাশি কারিশমা দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক সংস্কার, শ্রমিক অধিকার, পরিবেশ ও শান্তির পক্ষে নাগরিক আন্দোলনে যুক্ত।  তিনি নিউ হ্যাম্পশায়ার র‍্যাঙ্কড চয়েস ভোটিং এবং নিউ হ্যাম্পশায়ার ওপেন ডেমোক্র্যাসি অ্যাকশনের নেতৃত্ব পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।  গাজায় যুদ্ধবিরতি, জিম্মিদের মুক্তি ও মানবিক সহায়তার দাবিতেও কাজ করেছেন তিনি।
নির্বাচনী অঙ্গীকার ও প্রচারণা
দুই দশকের বেশি সময়ের গবেষণা ও নাগরিক আন্দোলনের অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে আসা কারিশমা জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, সাশ্রয়ী আবাসন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং রাজনীতিতে করপোরেট অর্থের প্রভাব কমানোর অঙ্গীকার করেছেন।  পররাষ্ট্রনীতিতে যুদ্ধের বদলে কূটনীতি ও শান্তিকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা বলছেন তিনি।  তার প্রচারাভিযান জানিয়েছে, তিনি করপোরেট রাজনৈতিক তহবিল থেকে অর্থ নেন না।
বর্তমানে তিনি নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রতিটি কাউন্টিতে ১০ দিনের ভ্যান ট্যুর চালিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।  প্রচারণার শুরুতে তিনি বড় অর্থের প্রচারণার বিরোধিতা করে বলেন, “এই আসনটি নিউ হ্যাম্পশায়ারের জনগণের, এবং জনগণকে এটি রক্ষা করতে হবে, কারণ অন্যথায় বিলিয়নেয়াররা এই আসনটি কিনে ফেলবে।
তহবিল সংগ্রহ
ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, গত ৩০ জুন পর্যন্ত তার প্রচারাভিযানে দুই লাখ ছয় হাজার ডলারের বেশি জমা হয়েছে।  এর মধ্যে ব্যক্তিগত অনুদান এক লাখ ৮১ হাজার ডলারের বেশি এবং তার নিজের দেয়া ঋণ ২৫ হাজার ডলার।
নির্বাচনী সমীকরণ
আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে তার রাজনৈতিক যাত্রার প্রথম বড় পরীক্ষা হবে।  ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস প্যাপাস।  সাম্প্রতিক জরিপ ও ভবিষ্যদ্বাণী বাজারের তথ্য অনুযায়ী, প্যাপাস বর্তমানে এগিয়ে আছেন।
CAIR Action-এর মতো সংস্থা তাকে সমর্থন জানিয়েছে এবং মুসলিম ভোটারদের তার পক্ষে ভোট দিতে উৎসাহিত করছে।