ডেমোক্র্যাট দলের অভ্যন্তরীণ এই বিরোধ নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একই দলের নেতাদের মধ্যে প্রার্থী নির্বাচন ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মতপার্থক্য কতটা গভীর হতে পারে, তা এই ঘটনা আবারও সামনে এনেছে।
ইসরায়েল ইস্যুতে মতবিরোধ
দুই নেতার বিরোধের পেছনে ইসরায়েল নীতি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। হ্যালি স্টিভেন্স ইসরায়েলের জোরালো সমর্থক। অন্যদিকে আবদুল এল-সায়েদ গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার সমালোচনা করে আসছেন। এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারে বিতর্কিত রাজনৈতিক মন্তব্য ও বিজ্ঞাপন নিয়েও তাঁদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
গত ১ নভেম্বর ডেট্রয়েটের একটি গির্জায় রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের সঙ্গে উপস্থিত হয়ে স্টিভেন্স তাঁর প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন। এর আগে একই দিনে এল-সায়েদের সঙ্গে যৌথ নির্বাচনী অনুষ্ঠানে তাঁর অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
ডেমোক্র্যাট নেতাদের প্রতিক্রিয়া
স্টিভেন্সের এই সিদ্ধান্তে ডেমোক্র্যাট দলের নেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সিনেট সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার তাঁর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। অন্যদিকে এল-সায়েদ নির্বাচনী বিতর্কে না জড়িয়ে জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে প্রচার চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান।
এদিকে স্টিভেন্সের সমর্থন ঘোষণার পর এল-সায়েদের নির্বাচনী তহবিলে একদিনে ২৪ লাখ ডলারের বেশি অনুদান আসে বলে তাঁর প্রচার শিবির জানিয়েছে। এতে ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ অনুদান দেন।
মিশিগানের এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডেমোক্র্যাট দলের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যকে নতুন করে সামনে এনেছে। এখন ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে গুরুত্বপূর্ণ এই সিনেট আসনের ভবিষ্যৎ।
