ঢাকা | মার্চ ১১, ২০২৬ - ৪:২১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

সরাইলে ধান চাল সংগ্রহের উদ্ধোধন

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Tuesday, January 12, 2021 - 7:33 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 101 বার

মুরাদ খান, সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে ২০২০-২১ খ্রিষ্টাব্দের অভ্যন্তরিন ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান উদ্ধোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা খাদ্য গুদামে স্বাস্থ্য বিধি মেনে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্ধোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও খাদ্য ক্রয় কমিটির সভাপতি মো. আরিফুল হক মৃদুল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবু হানিফ, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান, সরাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খান বাবুল ও আ’লীগ নেতা নূরূল ইসলাম কালন।

খাদ্য অফিস সূত্র জানায়, এ বছর সংগ্রহের লক্ষমাত্রা হচ্ছে- সিদ্ধ চাল ৭৩৩.৬৫০ মেট্রিক টন, আতপ চাল ২৯০ মেট্রিক টন ও আমন ধান ২৩৭ মেট্রিক টন। দাম কম হওয়ায় তালিকাভূক্ত অধিকাংশ মিল মালিক গুদামে ধান চাল বিক্রি করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। ৬ জন মিল মালিকের সাথে্ ১৬২.৪২০ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ২ জন মিল মালিকের সাথে ১৮২.৫০০ মেট্রিক টন আতপ চাল দেওয়ার চুক্তি হয়েছে। আর ধান দেওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত কোন কৃষক যোগাযোগ করেননি। প্রতি কেজি সিদ্ধ চালের সরকারি মূল্য ৩৭ টাকা, আতপ চাল ৩৬ টাকা ও ধান ২৬ টাকা। মিল মালিকরা বলছেন এই্ মূল্য বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম।

মিল মালিক সমিতির প্রতিনিধি মো. শাব্বির মিয়া বলেন, এ বছর ধান ও চালের সরকার নির্ধারিত মূল্য একেবারেই কম। বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে কেজিতে ৪-৫ টাকা কম। ফলে প্রতিটনে ৪-৫ হাজার টাকা ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই জেনে শুনে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হতে চাচ্ছেন না। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছি। সরকারের স্বার্থ রক্ষা ও আমাদের লাইসেন্স ঠিকিয়ে রাখতে ক্ষতি জেনেও মাল দেওয়ার চুক্তি করেছি। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, ক্ষতির কথা বলেই তালিকাভূক্ত অধিকাংশ মিল মালিক চাল দিতে সম্মত হননি (চুক্তি করেননি)। তাই সংগ্রহের লক্ষমাত্রা শতভাগ পূরণ না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।