ঢাকা | মার্চ ১১, ২০২৬ - ৯:২৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ময়মনসিংহ সদরে চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফের ঘোড়া প্রতীকের জনসভা

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Monday, May 13, 2024 - 1:38 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 72 বার

ষ্টাফ রিপোর্টার:আসছে ২১ মে দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হবে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচন উপলক্ষে উপজেলার ১১ ইউনিয়নের বাজারগুলোতে চলছে প্রার্থীদের জনসভা ও মিছিল-মিটিং। এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

শনিবার (১১ মে ২০২৪) সদর উপজেলার বোররচর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে আশরাফ হোসাইন এর ঘোড়া প্রতীকের নির্বাচনী পথসভা, জনসভায় রুপ ধারণ করে । উক্ত জনসভায় সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে বাঁধভাঙা জোয়ার লক্ষ করা গেছে। একই দিনে তিনি বোররচর ইউনিয়নের তারার বাজার,কাচারী বাজার,ডিগ্রি পাড়া,ফটিকের মোড়,বার্তি পাড়া,মৃধা পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় করেন।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, সদর উপজেলার সফল ও জনবান্ধব সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন এর জনসভায় দলমত নির্বিশেষে বোররচর ইউনিয়নের আ.লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন। সাধারণের ভাষ্য মতে, সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সফল ব্যাবসায়ী এবং সদস্য বিদায়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ হোসাইন। রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকলেও বিপদ আপদে আশরাফ ভাই সর্বদা পাশে দাড়ান বলে জানান আগত জনসাধারণ। এছাড়া সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আশরাফ হোসাইন এর ঘোড়া প্রতীকের সমর্থনে বিশাল সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাজিবুল হাসান বিপ্লবসহ আরও অনেক নেতাকর্মী।

এদিকে, সদ্য বিদায়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন ঘোড়া প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বোররচর ইউনিয়নের জনসভায় তিনি বলেন, আমি আপনাদের কাছে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রার্থনা করতে আসি নি; উপজেলা পরিষদ যা পারবে, তাই আপনাদেরকে বলবে। উপজেলা পরিষদ কখনও পদ্মা সেতুর মত ব্রিজ বা হাসপাতাল বানানোর ক্ষমতা রাখে না। উপজেলা পরিষদ ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট বিশেষ করে কাঁচা রাস্তাপাকাকরণ,

স্কুল-কলেজ, মসজিদ মাদ্রাসায় অনুদান, সংস্কার অর্থাৎ গ্রামীণ সমাজ ব্যাবস্থাকে কিভাবে শহরায়নের মাধ্যমে আধুনিক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা যায় তার ব্যাবস্থা করা। গ্রামীণ জনপদের মানুষের কাছে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির কাজ উপজেলা পরিষদ করে থাকে। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নেওয়ার ইচ্ছে আমার নেই। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরপরই বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। আড়াই বছর কাজ করার দৃশ্যমান সুযোগ হয়েছে। সব করে ফেলেছি, এমটা কখনও বলবো না। চেষ্টা করেছি, কতটুকু পেরেছি তার মূল্যায়ন আপনাদের হাতে ছেড়ে দিলাম। এ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, শ্মশান,কবরস্থান, সদর উপজেলার বোররচরসহ বাকি ১০ টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় উন্নয়ন সংস্কারে কাজ করেছি এবং গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা সঠিকভাবে বিতরণ করেছি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করে উপজেলার বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি।

আশরাফ হোসাইন আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শই আমাদের আদর্শ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের নেতা। আমার পরিচয়, আমি আপনাদের (সদর) সন্তান। আপনাদের একজন হয়ে আমৃত্যু থাকতে চাই। আমার ব্যক্তিগত কোন চাওয়া-পাওয়া নেই। আপনাদের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিব বলে জনসভায় নিজের অবস্থান জানান তিনি।

আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় আপনাদের কাছে ওয়াদা করছি, আমার শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে সদর উপজেলাবাসী আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে সচেষ্ট হবো। স্থানীয় সরকারের মধ্যে উপজেলা পরিষদ হচ্ছে জনগনের উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে দেশের সিংহভাগ মানুষ বসবাস করে। ফলে বর্তমান সরকারে উন্নয়নের সব কার্যক্রম উপজেলা ভিত্তিক হলে জনগণ উপকৃত হবে। আমাদের সরকার উপজেলা পরিষদকে খুবই গুরত্ব দেয়। তাই এখানে সৎ আর্দশবান মানুষ ব্যাতিত উপজেলার উন্নয়ন হবেনা। আমি আপনাদের ভোটে আরও একবার সুযোগ পেলে অসমাপ্ত নয়, যুগান্তকারী বহু কাজ করবো ইনশাআল্লাহ। আমাকে ভোট প্রদানের মাধ্যমে আপনাদের সেবা করবার সুযোগ দিবেন।

জনসভায় আগত মানুষের সাথে কথা হয় উন্নয়ন সংবাদ এর বিশেষ প্রতিনিধির সঙ্গে। তাদের ভাষ্য মতে, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ ভাই এর বিকল্প কাউকে দেখেছি না। তার মত সফল ও জনবান্ধব চেয়ারম্যানকে পুনরায় নির্বাচিত না করতে পারলে ক্ষতিগ্রস্ত হবো আমরা। জেনেশুনে কি কেউ কখনো নিজের ক্ষতি করবে বলেন? বিপদ আপদে আশরাফ ভাইকে যেভাবে পেয়ে থাকি, অন্য কোন নেতাকে পাই না বললেই চলে। তার (আশরাফ) কাছে কোন কাজে গেলে খালি হাতে ফিরে এসেছেন এমন নজির নেই বলে জানান তারা।