ঢাকা | এপ্রিল ৩০, ২০২৬ - ৪:২৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

দীর্ঘ ১৬ বছর পর তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, May 10, 2025 - 12:14 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 215 বার

স্নিগ্ধা খন্দকার স্টাফ রিপোর্টারঃদীর্ঘ ১৬ বছর পর পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়া অডিটোরিয়াম চত্বরে আয়োজিত এ সম্মেলনে সভাপতি পদে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন রঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শাহীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আবু সাঈদ মিয়া ও আবু বকর সিদ্দিক কাবুলও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু। এতে সভাপতিত্ব করেন শাহাদাত হোসেন রঞ্জু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন রেজাউল করিম শাহীন।

সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ফরহাদ হোসেন আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক ও অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, বিএনপি নেতা এম এ মজিদ, অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, অ্যাডভোকেট আদম সুফি, জেলা মহিলা দলের সভাপতি লায়লা আঞ্জুমান মুক্তি ও অ্যাডভোকেট রইচউদ্দিনসহ অন্যরা।

সম্মেলনের শুরুতে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা এবং দলীয় সংগীতের মাধ্যমে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর শান্তির প্রতীক কবুতর উড়িয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিরা।

২০০৯ সালে সর্বশেষ তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সম্মিলিতভাবে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় সর্বসম্মতভাবে তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বলেন, “রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা প্রথম জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছে বিএনপি। এখন সংস্কারের নামে নির্বাচন নিয়ে নানা টালবাহানা চলছে।” তিনি সবাইকে ৩১ দফা পড়ে জনগণের মধ্যে তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকলে দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক আরও কার্যকর হতো। সার্কের যে উদ্দেশ্য ছিল, তা বাস্তবায়িত হলে ভারত-পাকিস্তানের মতো যুদ্ধ এড়ানো যেত। আলোচনা ছাড়া কোনো যুদ্ধের সমাধান সম্ভব নয়—এটাই ছিল জিয়ার বিশ্বাস।”

তিনি দাবি করেন, “ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রাক্তন স্পিকার ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার সাদ্দাম হোসেনকে বলেছিলেন, জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকলে যুদ্ধের বদলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হতো।”

সম্মেলনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি আগামী দিনে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের কাতারে থেকে বিএনপিকে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় নিয়ে আসার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

১০ মে ২০২৫
পঞ্চগড়।
দীর্ঘ ১৬ বছর পর তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন
রঞ্জু সভাপতি, শাহীন সম্পাদক নির্বাচিত

স্নিগ্ধা খন্দকার স্টাফ রিপোর্টারঃ

দীর্ঘ ১৬ বছর পর পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়া অডিটোরিয়াম চত্বরে আয়োজিত এ সম্মেলনে সভাপতি পদে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন রঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শাহীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আবু সাঈদ মিয়া ও আবু বকর সিদ্দিক কাবুলও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু। এতে সভাপতিত্ব করেন শাহাদাত হোসেন রঞ্জু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন রেজাউল করিম শাহীন।

সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ফরহাদ হোসেন আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক ও অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, বিএনপি নেতা এম এ মজিদ, অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, অ্যাডভোকেট আদম সুফি, জেলা মহিলা দলের সভাপতি লায়লা আঞ্জুমান মুক্তি ও অ্যাডভোকেট রইচউদ্দিনসহ অন্যরা।

সম্মেলনের শুরুতে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা এবং দলীয় সংগীতের মাধ্যমে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর শান্তির প্রতীক কবুতর উড়িয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিরা।

২০০৯ সালে সর্বশেষ তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সম্মিলিতভাবে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় সর্বসম্মতভাবে তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বলেন, “রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা প্রথম জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছে বিএনপি। এখন সংস্কারের নামে নির্বাচন নিয়ে নানা টালবাহানা চলছে।” তিনি সবাইকে ৩১ দফা পড়ে জনগণের মধ্যে তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকলে দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক আরও কার্যকর হতো। সার্কের যে উদ্দেশ্য ছিল, তা বাস্তবায়িত হলে ভারত-পাকিস্তানের মতো যুদ্ধ এড়ানো যেত। আলোচনা ছাড়া কোনো যুদ্ধের সমাধান সম্ভব নয়—এটাই ছিল জিয়ার বিশ্বাস।”

তিনি দাবি করেন, “ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রাক্তন স্পিকার ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার সাদ্দাম হোসেনকে বলেছিলেন, জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকলে যুদ্ধের বদলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হতো।”

সম্মেলনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি আগামী দিনে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের কাতারে থেকে বিএনপিকে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় নিয়ে আসার