ঢাকা | মার্চ ১০, ২০২৬ - ১২:১১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

হাড়কাঁপানো শীতেও অবিচল চাঁপাইনবাবগঞ্জের ট্রাফিক পুলিশ: রাজপথে শৃঙ্খলার অতন্দ্র প্রহরী

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Thursday, January 1, 2026 - 4:30 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 57 বার

মোঃ নাসিম চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃগত কয়েকদিন ধরে উত্তরের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বইছে হাড়কাঁপানো কনকনে শীত। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় যখন জনজীবন বিপর্যস্ত, সাধারণ মানুষ যখন উষ্ণতার খোঁজে ঘরের কোণে আশ্রয় নিচ্ছেন,ঠিক তখনই শহরের প্রধান সড়কগুলোতে দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন চিত্র। হাড়কাঁপানো শীতকে উপেক্ষা করে ট্রাফিক জ্যাম নিরসন ও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ বিভাগের সদস্যরা।

“শীতকে জয় করে রাজপথে তারা! চাঁপাইনবাবগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের এক দিন” অথবা “কুয়াশা ঢাকা ভোরে বাঁশির শব্দে জাগছে শহর: নিভৃত যোদ্ধা ট্রাফিক পুলিশ।”শহরের ব্যস্ততম শান্তিমোড়, বিশ্বরোড মোড় এবং জেলা শহরের প্রবেশপথগুলোতে দেখা গেছে,ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা ভোরে ঘন কুয়াশার মধ্যেই দায়িত্ব পালন শুরু করছেন। তীব্র শীতে হাত-পা জমে যাওয়ার মতো অবস্থায়ও তারা বাঁশি বাজিয়ে, ইশারায় যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছেন। শুধু যানজট নিরসনই নয়, অবৈধ পার্কিং বন্ধ এবং ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধেও তারা থাকছেন সদা সতর্ক।

ট্রাফিক সার্জন মামুনের! সাথে কথা বলে জানা যায়, “শীত হোক বা বৃষ্টি, আমাদের দায়িত্ব আগে। সাধারণ মানুষ যাতে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন এবং শহরে কোনো যানজট সৃষ্টি না হয়,সেটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রচণ্ড ঠান্ডায় কাজ করা কিছুটা কষ্টসাধ্য হলেও মানুষের সেবা করতে পেরে আমরা গর্বিত।”

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের এই নিবেদিত প্রাণ কর্মকর্তাদের প্রশংসা করছেন সাধারণ পথচারী ও চালকরাও। একজন রিকশাচালক জানান!এই শীতে আমাদেরই রাস্তায় থাকা দায় হয়ে পড়েছে,আর ওনারা সারা দিন দাঁড়িয়ে থেকে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করছেন।

ওনাদের কারণেই শহরের মোড়গুলোতে জ্যাম হচ্ছে না।”সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ট্রাফিক বিভাগ শীতকালীন এই সময়ে বিশেষ তদারকি বাড়িয়েছে। ঘন কুয়াশায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে চালকদের হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালানো এবং গতিরোধ করার জন্য তারা প্রতিনিয়ত সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।প্রকৃতির প্রতিকূলতার কাছে হার না মেনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের এই কর্মতৎপরতা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই নিষ্ঠা ও কর্তব্যের প্রতি ভালোবাসা শহরবাসীকে নিরাপদে চলাচল করার সুযোগ করে দিচ্ছে।