নারী দিবসে পঞ্চগড়ে নারী প্রশিক্ষক লাঞ্ছিত, অভিযুক্ত উপ-পরিচালক
স্নিগ্ধ খন্দকার,স্টাফ রিপোর্টারঃপঞ্চগড়ে নারী দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে মহিলা অধিদপ্তরের নারী প্রশিক্ষককে ঔই অফিসের উপ-পরিচালক কতৃক লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (০৮ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কার্য্যালয়ের দ্বিতীয় তলার বারান্দায় নারী প্রশিক্ষক লুনা বেগমকে মাথা চেপে ধরে ধাক্কা দিয়ে লাঞ্চিত করেন পঞ্চগড় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ পরিচালক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান বলে অভিযোগ করেছেন মহিলা অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রশিক্ষক লুনা বেগম।
জেলা প্রশাসন ভূক্তভোগি নারী প্রশিক্ষক এবং মহিলা অধিদপ্তরের কার্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে। রোববার সকালে নারী দিবস উপলক্ষে পূর্ব ঘোষিত মহিলা অধিদপ্তরের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় যোগ দেন নারী প্রশিক্ষক লুনা বেগম। এরই মাঝে সম্মেলন কক্ষ থেকে বের হয়ে সভায় আগত বিভিন্ন নারীদের কক্ষে প্রবেশের জন্য জেলা প্রশাসকের দ্বিতীয় তলায় তদারকি করছিলেন এ সময় উপ পরিচালক এ কেএম ওয়াহিদুজ্জামান পিছন থেকে লুনা বেগমকে মাথা চেপে ধরে ধাক্কা দেন সেই সাথে অশ্লীল ভাষায়
গালিগালাজ করেন। পরে হতভম্ভ হয়ে লুনা বেগম মহিলা অধিদপ্তরের নারী কর্মচারীদের নিয়ে বর্তমান জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা প্রপাসক সুমন চন্দ্র দাসের কক্ষে গিয়ে মৌখিক অভিযোগ করলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ বরাবর জানাবেন বলে আশ^াস দেন।
এদিকে লাঞ্চিত লুন্ াবেগম দুপুরে পঞ্চগড় মহিলা অধিদপ্তর লিচুতলা ইসলামবাগ কার্য্যালয়ে এসে সাংবাদিকদের ঘটনাটি ক্যামেরার সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন প্রতিনিয়ত আমাদের উপ পরিচালক ডিডি স্যার আমাদের সাথে অশালীন আচরন করেন। আমরা এই স্যাারের কাছ থেকে মুক্তি চাই। সাংবাদিকদের কথা শুনে সেখানে আসেন হিসাবরক্ষক সিলভিয়া নাসরিন তিনি সাংবাদিকদের জানান আসলে আমাদের ডিডি স্যার অফিসের কর্মচারীদের ব্যাক্তিগত কাজ করার আদেশ করেন কিন্ত তার আদেশ না মানলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন । আমরা এই অফিসে ডিডি স্যারের কাছে নিরাপদ নই। অতি দ্রুত তার বিরূদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান হিসাবরক্ষক সিলভিয়া নাসরিন। এ সময় অফিসের প্রশিক্ষক জাকিয়া সুলতানা জানান ডিডি স্যার সব সময় আমাদের সাথে অশালীন আচরন করেন এবং নানা অজুহাতে শোকজ এবং সার্ভিস বুকে নেগেটিভ লিখে দেওয়ার হুমকি দেন । এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং উপ পরিচালকের বক্তব্য নিতে যায় এ সময় উপ পরিচালক সব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবী করেন তবে সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে তিনি সাংবাদিকদের উপর রেগে গিয়ে এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের ১৪ গুস্টিকে চিনে রাখার হুমকি দেন সেই সাথে তার ব্যবহৃত স্মার্টফোন দিয়ে সাংবাদিকদের কার্যক্রম ভিডিও করে রাখেন। এসময় তিনি বেশ কিছু সাংবাদিক দেখে জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপারকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানান।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সুমন চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান নারী প্রশিক্ষক লুনা বেগম সহ বেশ কিছু নারী আমার কক্ষে এসে লুনা বেগমকে লাঞ্চিত করার বিষয়টি মৌখিকভাবে জানান অমি বিষয়টি উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে জানানোর কথা বলেছি।








