গাবুরায় সুন্দরবন নারী দল সুপেয় পানি প্লান্টের শুভ উদ্বোধন
আল-হুদা মালী শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে পানি সংকট ও দূর্জোগ প্রবণ এলাকা ৯নং সোরা গ্রামে সুন্দরবন নারী দল সুপেয় পানির প্লান্টের শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) বেলা ১০ টার সময় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের বাস্তবায়নে ওয়াটার এইডের আর্থিক সহযোগিতা এই কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সুন্দরবন নারী দলের সভাপতি শিরিন সুলতানা।
প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, গাবুরা ইউনিয়নে পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি,এম, মাছুদুর আলম। তিনি সুন্দরবন নারী দল সুপেয় পানির প্লান্টের ফিতা কেটে শুভ উদ্বোধন করেন।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,রূপান্তরের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর (ডিজাস্টার ম্যানেজম্যান্ট এ্যান্ড ক্লাইমেট চেইঞ্জ এডাপটেশন) মোঃ ফারুক আহমেদ। প্রকল্প ব্যাবস্থাপক তসলিম আহম্মেদ টংকার,মনিটরিং অফিসার, সাদিয়া সুলতানা, গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য জি এম,মঞ্জুর হোসেন, সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য ফরিদা পারভীন, সাধারণ সম্পাদক উপকূলীয় প্রেসক্লাব আল-হুদা মালী,রূপান্তরের ফাইনান্স অফিসার দেব নারায়ণ মন্ডল ও প্রকল্প ইন্জিনিয়ার আবু সুফিয়ান সহ রূপান্তরের সকল কর্মকতাবৃন্দ প্রমূখ।
রূপান্তরের মোঃ ফারুক আহমেদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তীব্র পানি সংকট বেড়েছে। লবণাক্ততা বৃদ্ধি এই সংকটকে আরও তীব্রতর করে তুলেছে। উপকূলীয় এলাকায় সরকারী বেসরকারীভাবে যে সকল পানি প্রযুক্তি স্থাপন করা হয়েছে সেগুলি উৎস্য নষ্ট হওয়া, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা, প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ জটিলতার কারনে পানি সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদে কার্যকরী হচ্ছে না। এইমুহুর্তে সুন্দরবন নারী দল লবনাক্ত পানিকে নিরাপদ পানি হিসাবে পানযোগ্য করার একটি সফল কার্যকরী পানি প্রযুক্তি।
ফরিদা পারভীন বলেন, উপকূলীয় এলাকার পানি সংকট প্রবণ এলাকার মধ্যে গাবুরা ইউনিয়নের ৯নং সোরা গ্রামে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর ওয়াটার এইডের এর আর্থিক সহযোগিতায় একটি সুন্দরবন নারী দল সুপেয় পানির প্লান্টের স্থাপন করেছে। এই পানি বিএয় যোগ্য
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, উপকূলে পানি সংকট প্রকট। পানি সংকট এলাকায় সুন্দরবন নারী দল সুপেয় পানির প্লান্ট স্থাপন করেছে। আরও পানি প্রযুক্তি স্থাপন করার জন্য আহবান করছি। উপকূলীয় এলাকায় পানি কিন্তু কিনে খেতে হয় এবং দূর্যোগের সময় এই সংকট আরও বেড়ে যায়। রূপান্তর উপকূলের মানুষের জন্য ভালো কাজ করছে। রূপান্তরের যোগাযোগের মাধ্যমে এমন উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যহত থাক এই প্রত্যাশা করছি।








