ঢাকা | জুলাই ১৭, ২০২৬ - ৫:৪৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

পঞ্চগড়ে রাতের আঁধারে ২০ হাজার পাটগাছ কেটে তছনছ, জমি দখলের অভিযোগে ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, July 15, 2026 - 10:01 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 12 বার

স্নিগ্ধা খন্দকার, স্টাফ রিপোর্টারঃ পঞ্চগড় সদর উপজেলায় জমি বিরোধের জেরে রাতের আঁধারে প্রতিপক্ষের প্রায় ২০ হাজার পাটগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের দাবি, তাদের প্রায় দেড় লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। শুধু তাই নয়, পরিকল্পিতভাবে ফসল নষ্ট করে এক একর জমি দখলের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। এ ঘটনায় ২০ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।

ঘটনাটি সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ী ইউনিয়নের গলেহা কান্তমনি মহিমাগঞ্জ গ্রামে ঘটেছে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজু সরকার মহিমাগঞ্জ মৌজার আরএস খতিয়ান নং ৮৯৪/৯৩৮-এর হাল খতিয়ানের ৪১৭৪, ৪১৭০ ও ৪১৭১ নম্বর দাগের মোট ২ দশমিক ৬৮ একর জমির মধ্যে ১ দশমিক ০৯ একর জমি ক্রয় করে প্রায় ৫৮ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কয়েক দিন আগে একই এলাকার রাজু ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা ওই জমির প্রায় দেড় বিঘা নিজেদের দাবি করে বিরোধের সূত্রপাত ঘটান। তবে রাজু সরকারের দাবি, জমির দলিল, খারিজ, খতিয়ানসহ সব বৈধ কাগজপত্র তাদের নামে রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান।

রাজু সরকারের ছোট ভাই সাজেদুর রহমান জানান, মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে রাজু ইসলামসহ তার পরিবারের সদস্য এবং গলেহা কান্তমনি পশ্চিমপাড়ার তাজু ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, সাকিব হোসেন, আছিরুল ইসলাম, সায়দার আলী, সিদ্দিকুল ইসলাম, নাজু ইসলামসহ আরও কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে তাদের জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ২০ হাজার পাটগাছ কেটে ফেলে। এর মাধ্যমে জমি দখলের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এ ঘটনায় সাজেদুর রহমান বাদী হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, পাটগাছ কর্তনের ঘটনায় একটি এজাহার গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।