সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে চান ঘাগড়ার মুঞ্জু।
স্টাফ রিপোর্টারঃ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ১১নং ঘাগড়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে, যা সময়ের সঙ্গে আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপজেলার ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নে খোজ নিয়ে জানা গেছে ইউনিয়নটিতে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রায় ডজনের অধিক প্রার্থীরা মানুষের মন জয় করতে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যারা আলোচনায় রয়েছেন তাদের মাঝে
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির (আহ্বায়ক কমিটি২বারের সদস্য,দক্ষিণ জেলা বিএনপির
সাবেক ত্রাণ ও পুণর্বাসন সহ সম্পাদক, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহ-সম্পাদক, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক, ১১ নং ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপি(নির্বাচিত) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, কোতোয়ালি থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মুনজুরুল হক ( মুনজু)। তিনি ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এর বিশ্বস্ত আস্থাভাজন হওয়ায় ইউনিয়নে এমপির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইউনিয়নের রাজনীতিতে ত্যার দীর্ঘদিনের ত্যাগ,জনগণের সেবায় অবদান রাখা ও নির্বাচনের আগেই স্থানীয় সংসদ সদস্যের মাধ্যমে ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রাখায় ইউনিয়নব্যাপী আলোচনায় রয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাধারণ মানুষের মন জয় করতে মাঠে নেমে পড়েছেন। বিভিন্ন ওয়ার্ডের হাট-বাজার, চা-দোকান ও জনসমাগমস্থলগুলোতে চলছে জোর গণসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময়। বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, ঈদ এবং নানা সামাজিক উপলক্ষে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও ডিজিটাল মাধ্যমে ভোটারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন প্রার্থীরা। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের দৃশ্যমান কোনো মাঠপর্যায়ের তৎপরতা লক্ষ্য করা না গেলেও প্রচার-প্রচারণায় বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা।
তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তরুণ ও উদ্যমী নেতৃত্ব হিসেবে মুনজুরুল হক (মুনজু) ব্যতিক্রম কিছু করার যোগ্যতা রাখে। নির্বাচনী পরিস্থিতি,দলীয় মনোনয়ন কোন দিকে যায় সেটিই এখন দেখার বিষয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ ভোটারগন বলছেন, ইতোমধ্যে তার প্রার্থীতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতি,সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে সকল স্তরের ভোটার ও বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন মুনজু।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন,আর্থিক ভাবে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা, দলের দুর্দিনে মাঠে সক্রিয় থেকে কর্মীদের সংগঠিত করা,সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে মুনজুরুল হক (মুনজু) সকল স্তরের মানুষ মনে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছেন।
এ বিষয়ে মুনজুরুল হক (মুনজু) জানান, তিনি সুশাসন প্রতিষ্ঠা,সার্বিক উন্নয়ন,জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী। তার জন্য নিজ দল ও এলাকা ভোটারগনদের সমর্থন চান। তিনি বলেন- সবাই আমাকে সমর্থন দিলে নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে সবাই কে সাথে নিয়ে সকলের পরামর্শে ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করবো।








