বর্তমান ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্স ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। ফলে তাঁর আসনটি ঘিরে দুই প্রধান দলের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দলের প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন।
প্রধান দুই প্রার্থী কারা?
আবদুল এল-সায়েদ — ডেমোক্র্যাট
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসক আবদুল এল-সায়েদ আগে ডেট্রয়েটের স্বাস্থ্য বিভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং ওয়েইন কাউন্টির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর নির্বাচনী অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা, সাশ্রয়ী আবাসন, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব হ্রাস করা।
মাইক রজার্স — রিপাবলিকান
সাবেক কংগ্রেস সদস্য ও এফবিআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মাইক রজার্স ২০০১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রতিনিধি পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রচারণায় উৎপাদনশিল্পে কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনা, পেট্রল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও মেডিকেয়ার সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরও চার দলের প্রার্থী
প্রধান দুই দলের বাইরে নির্বাচনী ব্যালটে রয়েছেন লিবার্টারিয়ান পার্টির লিডিয়া ক্রিস্টেনসেন, ইউএস ট্যাক্সপেয়ার্স পার্টির টিমোথি লং, গ্রিন পার্টির ডগলাস পি. মার্শ এবং ন্যাচারাল ল পার্টির ওয়াল্টার পি. ক্রিস্টি।
নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ?
স্বাস্থ্যসেবার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, আবাসন, অভিবাসন ও দেশের অর্থনৈতিক নীতি ভোটারদের আলোচনায় রয়েছে। মিশিগানের অটোমোবাইল শিল্প এবং উৎপাদন খাতের ভবিষ্যৎও এ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
২৫ অক্টোবর ডেট্রয়েটে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এল-সায়েদের পক্ষে নির্বাচনী সমাবেশে অংশ নেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান প্রার্থী রজার্সের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন। এতে জাতীয় রাজনীতির প্রভাবও মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
আগামী ৩ নভেম্বর ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে মিশিগানের ভোটাররা কাকে সিনেটে পাঠাতে চান। তবে নির্বাচনের ফলাফল আগাম নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।