কেরানীগঞ্জে ঢাকা দুই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টের মারধর করার অভিযোগ
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঢাকা ২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাক্তার হাবিবুর রহমান তার পুলিং এজেন্ট এর মারধরের অভিযোগ কেরানীগঞ্জের নবাব চর এলাকায় তার নিজ বাসভবনে আজ বিকাল সাড়ে তিনটায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমেনির্বাচন বর্জন করেছেন। ঢাকা ২ এর স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা: হাবিবুর রহমান জানান মানুষের কাছে আমি গিয়েছি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। মানুষকে খুব কাছে থেকে দেখেছি তারা কি চায়। নির্বাচন করতে গিয়ে আমি আমার জীবনের সর্বোচ্চ প্রাপ্তিটা পেয়েছি। আমি পেয়েছি লক্ষ জনতার অকুণ্ঠ ভালোবাসা।
তাদের স্নেহ তাদের শ্রদ্ধা এবং তাদের হৃদয় নিজেকে স্থান দিতে পেরেছি। আজকের দিনে সূর্য উজ্জ্বল সকালে আমরা ভোট এর মাধ্যমে এদিনের কার্যক্রম শুরু করি। আমি কেরানীগঞ্জ কামরাঙ্গীরচর সাভারের অনেকগুলো কেন্দ্রে আমি গিয়েছি ভিজিট করেছি। এখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন কিন্তু আমাদের এই ঢাকা ২ এর আমাদের প্রতিপক্ষরা তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জাতির কাছে ও বিশ্বের কাছে ছোট করেছে। বাংলাদেশের সুনামকে ক্ষুন্ন করেছে। আপনারা দেখছেন আমার পিছনে এক জাক করুন এদের এখন ভোট কেন্দ্রে থাকার কথা ছিল।
মাত্র ৩০ মিনিট পরেই তাদের ভোট গণনার কাজে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে যে তাদেরকে ভোট কেন্দ্র থেকে জোরকরে বের করে দেওয়া হয় । এবং তাদের উপস্থিতিতে এবং তার পরবর্তীতেও সিল মারার মহোৎসব শুরু হয়। আমি একজন কানাডা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানা সদস্য। আমাদের যে প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগে খাটো করার জন্য তা সুনামকে ক্ষুন্ন করার জন্যই এই ঢাকা ২ এ যে নেতৃত্বে আছেন তারা আজকে এই নেককারজনক ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
পুরো জাতির কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নির্বাচন কমিশনারের কাছে এই ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করি। যেখানে চোখের সামনে তারা সিল মারছে এই একজন ইন্ডিভিজুয়াল ক্যান্ডিডেট।। বেশি শক্তি দিয়ে তাদেরকে প্রতিবাদ করার কোন ক্ষমতা আমার নেই। চোখের সামনে প্রতিটা কেন্দ্রে এমন অন্যায় দেখার পর এই ভোটে আমি আমার নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পারেনি তাই আমি যখন লাস্ট কেন্দ্র থেকে বের হই।
তখন তারা নাস্তা করছে এবং তারা আমাকে বলছে তারা এরপর সিল মারা শুরু করবে আমাকেও বলে যে আমার জন্য কিছু সিল মারবে কিনা। কত বড় প্ল্যান হলে এ ধরনের কথা বলতে পারেন তারা আপনারা বুঝতে পেরেছেন। কিন্তু আমার আসলে ভোট বর্জন করা ছারা কোন বিকল্প হাতে ছিল না। এটা আপনারা বুঝতে পেরেছেন। তিনি আরো জানান যে সংঘর্ষে প্রায় ২৭ ২৮ জন পুলিং এজেন্ট আহত হয়েছে এবং তার প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারী ও আহত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন প্রস্তাব কারী হলেন মোঃ রিয়াজ আহমেদ এবং সমর্থনকারী জাহিদ হাসান।








