নব আনন্দে এসো
রাজলক্ষ্মী মৌসুমী-
যতটুকু দিয়েছিলে নিয়েছিলাম
সেই পহেলা বৈশাখে।
আবারও দাওনা দু’হাতে ভরে,
নিতে এসেছি হাত বাড়িয়ে শুধুই সুখ আর আনন্দ।
পহেলা বৈশাখের সেই ভোরের
সোনালী আলোতে।
ফেলে এসেছি যত নিরানন্দ, দুঃখ, জরা, বেদনা।
গ্লানিতে ক্ষত বিক্ষত হতে হতে ভালোবাসার রঙ্গিন স্বপ্নগুলো নিকষ অন্ধকারে ঢাকা পড়ে গেছে।
পাহাড়ী ঝর্নায় সঁপে দিলাম নিজেকে ধুয়ে মুছে অবলীলায়।
আর কোন কষ্ট বয়ে বেড়াতে হবেনা হয়তো।
তুমিই পারবে সেই অনাবিল সুখ শান্তির তিলক এঁকে দিতে। যখন —
কবিতার ছন্দে ছন্দে আর মিষ্টি আবেশে
নৃত্যের তালে তালে পৃথিবীর প্রাঙ্গন তুমি মাতিয়ে তোল।
রবি রাগের সুর লহরী ঝংকৃত হয় আকাশে বাতাসে।
তখন কী যে আনন্দ ধারায় ভুবন মোহিত হয়।
তাই তো তোমার প্রতীক্ষায় থাকি।
ছয়টি ঋতু পার করে অবশেষে তুমি আসো আমাদের মন মন্দিরে।
আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা, মিলিত হয় মনের মাধুরী মিশিয়ে রমনার বটমূলে।
তোমার আগমনীতে সোনা ঝরা রোদে দলবঁধে সারা বছরের সুখ, দুঃখ, অবসাদ, গ্লানি,ভুলে আনন্দ ধারায় বর্ষকে বরণ করি।
স্বপ্নকে খুঁজে পাওয়ার সাধ জাগে এই শুভ দিনে।
নিতে এসেছি তোমার দ্বারে সারা বছরের সুখানন্দ।
যতটুকু দেবে ততটুকুই নেবো আজ যে শুভ নববর্ষ।








