ঢাকা | মার্চ ১৪, ২০২৬ - ১২:২৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

‌‍ধামইরহাটে নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বাংলা বর্ষবরণ

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Monday, April 15, 2024 - 12:06 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 68 বার
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর ধামইরহাটে নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বাংলা নববর্ষ- ১৪৩১ খ্রিষ্টাব্দ কে বরণ করা হয়েছে।
রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও ধামইরহাট এনজিও সমন্বয় পরিষদের সহযুগিতায় উপজেলা চত্বরে জাতীয় সঙ্গীত ও এসো হে বৈশাখ এসো এসো গানের মাধ্যমে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে বৈশাখী মেলাই এসে শেষ হয়। এসময় মেলায় বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা খাতুন।পরে পান্তা ভাত খাওয়ার উৎসবের আয়োজন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো.শহিদুল ইসলাম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার বেদারুল ইসলাম, শিক্ষা অফিসার মো. রবিউল ইসলাম, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কাজল কুমার সরকার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সরদার, প্রোগ্রাম অফিসার ডেনিশ তপ্ন, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শারমিন আক্তার সুরভী, উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং গনমাধ্যম করমিবৃন্দ।
১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই মার্চ বা ৯৯২ হিজরিতে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ নভেম্বর, ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে “বঙ্গাব্দ” বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়ে এসেছে। আকবরের সময়কাল থেকেই পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়। অতীতে যদিও বাংলা নববর্ষের মূল উৎসব ছিল হালখাতা। এটি পুরোপুরিই একটি অর্থনৈতিক ব্যাপার। গ্রামে-গঞ্জে-নগরে ব্যবসায়ীরা নববর্ষের প্রারম্ভে তাঁদের পুরানো হিসাব-নিকাশ সম্পন্ন করে হিসাবের নতুন খাতা খুলতেন। এ উপলক্ষে তাঁরা নতুন-পুরাতন খদ্দেরদের আমন্ত্রণ জানিয়ে মিষ্টি বিতরণ করতেন এবং নতুনভাবে তাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগসূত্র স্থাপন করতেন।
চিরাচরিত এই উৎসবে বাঙালি এখনো ঠাঁই দিয়েছে তাদের অন্তরে। বর্তমানে নানা আয়োজনে মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলা বর্ষ উৎসব। গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে শহরেও দেখা মিলছে বৈশাখী মেলা, র‍্যালি, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান।
এই দিনটি স্মরনীয় করে রাখতে বাঙালি নারী পুরুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে শাড়ি, পাঞ্জাবি, লুঙ্গি নিজেদের সাজায় নতুন সাজে।
জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩০শে নভেম্বর বাংলাদেশের মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। বাংলাদেশের প্রস্তাব অনুমোদনক্রমে ইউনেস্কো লিখে, মঙ্গল শোভাযাত্রা হল জনসাধারণের একটি উৎসব। পহেলা বৈশাখে (নববর্ষের দিনে) উদযাপন করা হয়।
মাসুদ সরকার, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর ধামইরহাটে নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বাংলা নববর্ষ- ১৪৩১ খ্রিষ্টাব্দ কে বরণ করা হয়েছে।
রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও ধামইরহাট এনজিও সমন্বয় পরিষদের সহযুগিতায় উপজেলা চত্বরে জাতীয় সঙ্গীত ও এসো হে বৈশাখ এসো এসো গানের মাধ্যমে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে বৈশাখী মেলাই এসে শেষ হয়। এসময় মেলায় বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা খাতুন।পরে পান্তা ভাত খাওয়ার উৎসবের আয়োজন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো.শহিদুল ইসলাম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার বেদারুল ইসলাম, শিক্ষা অফিসার মো. রবিউল ইসলাম, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কাজল কুমার সরকার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সরদার, প্রোগ্রাম অফিসার ডেনিশ তপ্ন, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শারমিন আক্তার সুরভী, উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং গনমাধ্যম করমিবৃন্দ।
১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই মার্চ বা ৯৯২ হিজরিতে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ নভেম্বর, ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে “বঙ্গাব্দ” বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়ে এসেছে। আকবরের সময়কাল থেকেই পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়। অতীতে যদিও বাংলা নববর্ষের মূল উৎসব ছিল হালখাতা। এটি পুরোপুরিই একটি অর্থনৈতিক ব্যাপার। গ্রামে-গঞ্জে-নগরে ব্যবসায়ীরা নববর্ষের প্রারম্ভে তাঁদের পুরানো হিসাব-নিকাশ সম্পন্ন করে হিসাবের নতুন খাতা খুলতেন। এ উপলক্ষে তাঁরা নতুন-পুরাতন খদ্দেরদের আমন্ত্রণ জানিয়ে মিষ্টি বিতরণ করতেন এবং নতুনভাবে তাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগসূত্র স্থাপন করতেন।
চিরাচরিত এই উৎসবে বাঙালি এখনো ঠাঁই দিয়েছে তাদের অন্তরে। বর্তমানে নানা আয়োজনে মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলা বর্ষ উৎসব। গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে শহরেও দেখা মিলছে বৈশাখী মেলা, র‍্যালি, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান।
এই দিনটি স্মরনীয় করে রাখতে বাঙালি নারী পুরুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে শাড়ি, পাঞ্জাবি, লুঙ্গি নিজেদের সাজায় নতুন সাজে।
জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩০শে নভেম্বর বাংলাদেশের মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। বাংলাদেশের প্রস্তাব অনুমোদনক্রমে ইউনেস্কো লিখে, মঙ্গল শোভাযাত্রা হল জনসাধারণের একটি উৎসব। পহেলা বৈশাখে (নববর্ষের দিনে) উদযাপন করা হয়।