ঢাকা | মার্চ ১৩, ২০২৬ - ১০:০০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ঈদ’বৈশাখে পাহাড়পুরের রজস্ব আয় ১৬ লক্ষ ৪৭ হাজার

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Monday, April 15, 2024 - 12:04 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 64 বার
রহমতউল্লাহ আশিক, নওগাঁ, রাজশাহী : ঈদের তিন দিন ১লা বৈশাখে ঐতিহ্যের দক্ষিণ এশিয়ার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (সোমপুর বিহার) থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৬ লক্ষ ৪৭হাজার টাকা। আর ৫৩ হাজার ৪০৭জন পর্যটক ভ্রমণ করেছে এই পাহাড়পুর। আবারো নতুন করে পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গন।
ঈদ,বৈশাখী উৎসব সহ বাঙ্গালীর জাতীয় দিন ও সব উৎসবেই ভ্রমণ পিয়াসুদের বিনেদন কেন্দ্রর  মূল কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয় পাহাড় পুর বৌদ্ধ বিহার। এর ধারাবাহিকতায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন থেকে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে বিপুল পরিমাণ দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে যা বিগত দিনের চেয়ে রেকর্ড পরিমান প্রায় ৫৩ হাজার ৪০৭জন পর্যটক ভ্রমণ করে গত ৩ দিনে।
দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে পুরনো প্রত্নতত্বস্থল পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, আদি নাম সোমপুর বিহার। যা নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর, গোয়াল ভটা,মালঞ্চা গ্রাম তিনটির সীমানা প্রাচীর ঘিরে অবস্থিত এটি ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
নওগাঁ জেলা শহর থেকে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের দূরত্ব প্রায় ৩৪ কিলোমিটার। জয়পুরহাট জেলা থেকে ১২ কিলোমিটার।
জামাল গঞ্জ বাজার থেকে দুরত্ব ৬কিলোমিটার।
এখানে সারা বছর দেশ,বিদেশ থেকে আগত দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে।
বিগত সময়ের তুলনায় এই ঈদে দর্শানার্থীদের আগমন রের্কড পরিমান। আগের চেয়ে অনেক আধুনিকায়ন হওয়ায় পাহাড়পুরের পরিবেশ নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন দর্শনার্থীরা। আগামী সোমবার সরকারী ছুটির দিন পর্যন্ত দর্শনার্থীদের আগমন বেশি হবে বলে আশা করছেন বিহার কর্তৃপক্ষ।
বিহারের কাস্টোডিয়ান মোঃ ফজলুল করিম আরজু বলেন, এবার পাহাড়পুর দর্শক অনেক বেশী। আমরা সীমিত লোকজন নিয়ে আগত দর্শনার্থীদের মানসম্মত সেবা প্রদানের চেস্টা করে আসছি। এতো দর্শনাথী সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকেই আবার বিহারের প্রাচীর টপকে ভিতরে প্রবেশ করছে। আমি আশাবাদি আগামী সোমবার পর্যন্ত দর্শকদের উপস্থিতি থাকবে।
 টুরিস্ট পুলিশ নওগাঁ জোনের ইনচার্জ কিরন কুমার রায় বলেন, আমি আমাদের টুরিস্ট পুলিশ সদস্যদের নিয়ে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে আগত দর্শনার্থীদের সাবর্বক্ষনিক নিরাপত্তা কাজে দিয়োজিত থেকে আমার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।