মির্জাপুরে এক দফা একদাবিতে প্রিন্সিপালের পদত্যাগ চান মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা
মোঃ রুবেল মিয়া, স্টাফ রিপোর্টারঃটাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একদফা একদাবিতে প্রিন্সিপালের পদত্যাগ চান মির্জাপুর মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১০ টায় কলেজের ভিতরে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মহিলা কলেজের ৩ সমন্বয়ক মানবিক শাখার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সুলতানা বাবলী ও হারিছা এবং বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সুমাইয়া আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
এ বিষয়ে সমন্বয়ক সুলতানা বাবলী এই প্রতিবেদক কে বলেন, প্রিন্সিপাল যদি সেচ্ছায় পদত্যাগ না করেন তাহলে আমরা বিক্ষোভ মিছিল বের করব এজন্য সকাল সারে ১১টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দেয় হয়। সময় অতিক্রম হলে শিক্ষার্থীরা কলেজ থেকে একদফা একদাবিতে বৃষ্টিতে ভিজে মিছিল বের করে এবং মিছিলটি উপজেলা চত্বর হয়ে মির্জাপুর বাজার প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিণ করে।
পদত্যাগের বিষয়ে যে দাবিগুলো শিক্ষার্থীরা করেন তাহলো, কলেজের প্রিন্সিপাল কিভাবে একজন শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত দেয় ? মেয়েদের ওয়াশরুম কেন চেক দিবেন একজন প্রিন্সিপাল ? প্রিন্সিপালকে কোন ছাত্রী সালাম না দিলে তাকে মারধর করত। শারিরীক অসুস্থতার জন্য যদি কেউ দুই একদিন কলেজে না আসে সেজন্য প্রতিদিনের জন্য ৪০ টাকা করে জরিমানা নিত এই প্রিন্সিপাল ? সার্বিক উন্নয়নের জন্য চাঁদা নেওয়া হলেও সে কাজ সম্পন্ন করে না বলে এই প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি একটাই প্রিন্সিপালের পদত্যাগ।
সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মির্জাপুর মহিলা কলেজের প্রিন্সিপাল হারুন অর রশীদ বলেন, শিক্ষার্থীরা যে সকল দাবী তুলেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি এই কলেজের প্রতিষ্ঠাতা লগ্নে থেকে আছি আমাকে সরানোর জন্য এই পরিকল্পনা চলছে। দেশের এমন পরিস্থিতিতে এদের কে উস্কানি দিচ্ছে তা আমার জানা নেই। ছাত্রী গায়ে হাত দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি কলেজের ছাত্রীদের কোন অন্যায় দেখলে তাদের শুধু স্কেল দিয়ে হাতে একটু টুকা দিয়ে শাস্তি দেই তার বেশী কিছু নয়। তারপরও আমি এ বিষয়ে সকলের কাছে মাফ চেয়েছি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ নুরুল আলম বলেন, মহিলা কলেজের বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। আলোচনা করে সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।








