মির্জাপুরে সোনালিয়ায় হামলার পর মামলা, আসামীর বাড়িতে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ
মোঃ রুবেল মিয়া, স্টাফ রিপোর্টারঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা বাঁশতৈল ইউনিয়নে সোনালিয়ার চকবাজারে এই ঘটনা ঘটে।
ভাতিজা গিয়াস উদ্দিনের কলাবাগানে ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে চাচা কবির হোসেন আকবর আলী (৬৫) ওপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত ঐ ব্যাক্তি বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন বলে জানা গেছে।
এই হামলার প্রতিবাদে (১৪ই এপ্রিল) সোমবার বিকাল সারে ৪ টার আসামীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীরা প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছে সোনালিয়া চকবাজার এলাকায়।
মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধজনতা গিয়াস উদ্দিনের বাড়িতে ৪ টি ঘরে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করেন।
মুহূর্তের মধ্যে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টিম। একপর্যায়ে পরিস্থিতি ও আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন তারা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট সন্ধার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন হামলার শিকার হওয়া কবির হোসেন। পাশের ভাতিজার কলাবাগানে তার ছাগল গেলে তা নিয়ে হামলাকারীদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।
কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে তার মাথায় কোদালের আছারি দিয়ে গুরুতর আঘাত করে ও একটি পা ভেঙ্গে ফেলে। পরে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে আহত ওই ব্যাক্তি উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছে।
পরে আকবর আলী ছেলে নাইম ইসলাম বাদি হয়ে ৫ জনকে আসামী করে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আসামীরা হলেন, গিয়াস উদ্দিন, সালমা বেগম, মিল্টন, রকমান, আজমত সহ তার সহযোগিরা। মামলা দায়ের করার পর ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এইচ এম রাশেদুজ্জামান ফজল। বাকিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করার পর বিক্ষুব্ধজনতা গিয়াস উদ্দিনের ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার (ওসি) মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান।








