ঢাকা | মার্চ ১০, ২০২৬ - ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

বারহাট্টায় একই জমি দুই জায়গায় বিক্রি, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, September 10, 2025 - 2:36 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 61 বার

নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় ২ নং সাহতা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের স্বল্প দশাল  মৌজায় একই জমি জালিয়াতির মাধ্যমে দুবার বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে একই দাগের জমিতে আগে পরে দুপক্ষ দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। যে কোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে স্বল্প দশাল এলাকার ইদ্রিস মিয়া ও আবুল হাসিমের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা জানান,স্বল্প দশাল মৌজর এসএ ৫৪০ দাগে দুই দলিল মূলে ১৫ শতাংশ ও ৯  শতাংশ ভূমি ইদ্রিছ মিয়ার নিকট হতে দুই দলিল মূলে  ২০০৪ সালে আগে ক্রয় করে মালিক হন আলেফ মিয়া ।কিন্তুু মালিক ইদ্রিস মিয়া ৫৪১ দাগে জমিটি দলিল করে দেয়। মালিক আলেফ মিয়া বিষয়টি বুঝতে পেরে কোর্টে দলিল সংশোধনের মামলা করেন।পরবর্তীতে আলেফ মিয়া ডিগ্রি পান।কিন্তুু পূ্রের মালিক অভিযুক্ত  ইদ্রিস মিয়া প্রতারণা করে এখান থেকে ৯ শতাংশ জমি সম্প্রতি গত আগস্ট মাসে ১৫৯০/২০২৫ নং সাফ কাওলা দলিল মূলে আবুল হাসিম নামে একজনের কাছে বিক্রি করে দেন।অথচ এই জমিটি নিয়ে পূর্ব থেকে কোর্টে মামলা চলমান ছিল।জমিটি বিক্রির পূর্বে প্রতারণা করে নিজের নামে নামজারীও করে নেন ইদ্রিস মিয়া।

সোমবার ঘটনাস্থলে  গিয়ে দেখা যায়,স্বল্প দশাল  মৌজার এসএ ৫৪০ দাগের ওই ৯  শতাংশ জমির ওপর ক্রয়সূত্রে মালিক আলেফ মিয়ার একটি টিনশেট ঘর আছে।তবে নতুন করে ক্রয় করা আবুল হাসিম জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালানোয় দুই পক্ষের উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী আলেখ মিয়া জানান, ২০০৪ সাল থেকে এই দাগের ২৪ শতাংশ  জমি দুই দলিল  মূলে আমি মালিক হই।পরবর্তীতে ইদ্রিস মিয়া এখান থেকে ৯ শতাংশ জমি প্রতারণার মাধ্যমে তার নামে নামজারী করে। বিষয়টি আমি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক নামজারী বাতিলের আবেদন করি এবং কোর্টে একটা মামলাও করি।কিন্তুু তারপরও অভিযুক্ত ইদ্রিস মিয়া জমিটি নতুন করে আবুল হাসিমের কাছে বিক্রি করে দেয়।এতে আমি পথে বসার উপক্রম হয়েছে।আমি এই জালিয়াতির বিচার চাই।

অভিযুক্ত ইদ্রিস মিয়া জানান আমি কোন জালিয়াতি করিনি।আমার প্রাপ্যটাই আমি বিক্রি করেছি।এক জমি দুইবার কি করে বিক্রি করলেন এমন প্রশ্নে তিনি কোন উত্তর দেননি।

বারহাট্টা উপজেলার নির্বাহী মাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি শামীমা আফরোজ মারলিজ জানান স্বল্প দশাল মৌজার ৫৪০ দাগের একটা মিস কেসের আবেদন হয়েছে।দুই পক্ষকে ডেকে শুনানির করা হবে।তবে যদি সত্যিই প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে এক জমি দুই জায়গায় বিক্রি করা হয়ে থাকে তাহলে খুব অন্যায় হয়েছে।